জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ছাত্রদল কর্মী শেখ মোহাম্মদ আশিক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন, যা রোববার প্রকাশ্যে আসে।চার্জশিটে আরও যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে আছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতা।অন্যদিকে ১২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না পাওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন , ৯ম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দেশজুড়ে কর্মসূচি ঘোষণা
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৯ জুলাই সকালে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলন চলাকালে দুপুরে লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন আশিক, যাকে মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।চার্জশিটে বলা হয়েছে, একটি “উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে” দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন দমন করা হয়।তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক নির্দেশনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের চেষ্টা হয়েছিল।তবে একই প্রতিবেদনে ১২৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে, কারণ তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং মামলাটি উচ্চপর্যায়ের হওয়ায় বিষয়টি নজর কাড়ছে বিভিন্ন মহলের।
বিষয় : চার্জশিট হামলা শেখ হাসিনা

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ছাত্রদল কর্মী শেখ মোহাম্মদ আশিক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন, যা রোববার প্রকাশ্যে আসে।চার্জশিটে আরও যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে আছেন সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতা।অন্যদিকে ১২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না পাওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন , ৯ম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে দেশজুড়ে কর্মসূচি ঘোষণা
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৯ জুলাই সকালে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলন চলাকালে দুপুরে লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন আশিক, যাকে মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।চার্জশিটে বলা হয়েছে, একটি “উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে” দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন দমন করা হয়।তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক নির্দেশনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের চেষ্টা হয়েছিল।তবে একই প্রতিবেদনে ১২৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে, কারণ তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং মামলাটি উচ্চপর্যায়ের হওয়ায় বিষয়টি নজর কাড়ছে বিভিন্ন মহলের।

আপনার মতামত লিখুন