রংপুর - ৫ (মিঠাপুকুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোঃ গোলাম রব্বানীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যমুনেশ্বরী নদীর ভাঙন রোধে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প দাপ্তরিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদী ভাঙন কবলিত মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের লেটারহেডে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর এমপি গোলাম রব্বানীর পাঠানো একটি ডিও (উঙ) লেটারের প্রেক্ষিতে এই প্রকল্পের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আজ প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পাস’ বা চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
আরও পড়ুন, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের, রামগঞ্জে একই পরিবারের ৬ জনকে কুপিয়ে আহত
প্রকল্পের বিস্তারিত এলাকা ও কাজের পরিমাণ: যমুনেশ্বরী নদীর তীরবর্তী তিনটি ইউনিয়নের দীর্ঘ এলাকাকে স্থায়ীভাবে ভাঙন থেকে রক্ষা করতে এই প্রকল্পের আওতায় বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে:
১. ১০নং বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন: ব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে উত্তরপাড়া গ্রামে ১০০০ মিটার (১ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
২. ১১নং বড় বালা ইউনিয়ন: যমুনেশ্বরী নদীর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে পশ্চিমে মহসিনের বাড়ি এবং হাবিবুরের বাড়ি থেকে ফিরোজের বাড়ি পর্যন্ত মোট ২৫০০ মিটার (২.৫ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ইজিপিপি প্রকল্পের খাল খননের উদ্বোধন
৩. ১২নং মিলনপুর ইউনিয়ন: ৪নং ওয়ার্ডের চরতরফ সাদি, ৫নং ওয়ার্ডের শাহালামপুর এবং ৮নং ওয়ার্ডের জানকিপুর সোনার পাড়া পর্যন্ত ৩৫০০ মিটার (৩.৫ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় অধ্যাপক গোলাম রব্বানী নদী ভাঙন কবলিত যমুনেশ্বরী পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ নিজ চোখে দেখেন এবং বিজয়ী হলে দ্রুততম সময়ে বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন। এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেন। এই প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়ায় মিঠাপুকুরের নদী তীরবর্তী মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের মাধ্যমে যমুনেশ্বরী তীরের মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাবে।
বিষয় : প্রকল্প মিঠাপুকুর গোলাম রব্বানী রংপুর

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
রংপুর - ৫ (মিঠাপুকুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোঃ গোলাম রব্বানীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যমুনেশ্বরী নদীর ভাঙন রোধে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প দাপ্তরিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদী ভাঙন কবলিত মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের লেটারহেডে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর এমপি গোলাম রব্বানীর পাঠানো একটি ডিও (উঙ) লেটারের প্রেক্ষিতে এই প্রকল্পের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আজ প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পাস’ বা চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
আরও পড়ুন, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের, রামগঞ্জে একই পরিবারের ৬ জনকে কুপিয়ে আহত
প্রকল্পের বিস্তারিত এলাকা ও কাজের পরিমাণ: যমুনেশ্বরী নদীর তীরবর্তী তিনটি ইউনিয়নের দীর্ঘ এলাকাকে স্থায়ীভাবে ভাঙন থেকে রক্ষা করতে এই প্রকল্পের আওতায় বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে:
১. ১০নং বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন: ব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে উত্তরপাড়া গ্রামে ১০০০ মিটার (১ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
২. ১১নং বড় বালা ইউনিয়ন: যমুনেশ্বরী নদীর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে পশ্চিমে মহসিনের বাড়ি এবং হাবিবুরের বাড়ি থেকে ফিরোজের বাড়ি পর্যন্ত মোট ২৫০০ মিটার (২.৫ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ইজিপিপি প্রকল্পের খাল খননের উদ্বোধন
৩. ১২নং মিলনপুর ইউনিয়ন: ৪নং ওয়ার্ডের চরতরফ সাদি, ৫নং ওয়ার্ডের শাহালামপুর এবং ৮নং ওয়ার্ডের জানকিপুর সোনার পাড়া পর্যন্ত ৩৫০০ মিটার (৩.৫ কি.মি.) বাঁধ নির্মাণ।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় অধ্যাপক গোলাম রব্বানী নদী ভাঙন কবলিত যমুনেশ্বরী পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ নিজ চোখে দেখেন এবং বিজয়ী হলে দ্রুততম সময়ে বাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন। এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার প্রদান করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেন। এই প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়ায় মিঠাপুকুরের নদী তীরবর্তী মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের মাধ্যমে যমুনেশ্বরী তীরের মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন