সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একই পরিবারের ফিরোজা বেগম (৫৮), পাখি বেগম (২৫), লাখি বেগম (২০), সুবর্ণা আক্তার (১৭), আজাদ হোসেন (২২) এবং আবির (৬) নামের ৬ জনকে কুপিয়ে ও ইট দিয়ে থেঁতলে আহত করা হয়েছে। এসময় হামলাকারীরা ওই অসহায় পরিবারের বসতঘর ভাঙচুর সহ পরিবারটির জমানো ফিতরার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার উপজেলার ৩ নং ভাদুর ইউনিয়নের সমেষপুর গ্রামের তফাদার বাড়িতে। মুমূর্ষ অবস্থায় আহতদের রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে রামগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ইজিপিপি প্রকল্পের খাল খননের উদ্বোধন
এ ব্যাপারে আহত ফিরোজা বেগম জানান, তার স্বামী শাহাজান বিগত ২০ বছর পূর্বে মারা যান। এরপর তার ভাসুর ওজি উল্লাহ তাদের প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে তাদের বসতবাড়ি থেকে উৎখাতের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। বিগত আট বছর পূর্বে তার ভাসুর মৃত্যুবরণ করলে তার ছেলে হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর সহ তাদের পরিবারের লোকজন তার ওপর নানান রকম নির্যাতন চালানো শুরু করে। এরই সূত্রধরে মঙ্গলবার সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর ও তাদের ছেলে শামীম, সোহাগ, শুভ'র নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর সহ তার জমানো ফিতরার টাকা নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফিরোজকে আহত করে। এসময় তাকে বাঁচাতে এলে হামলাকারীরা পাখি বেগম, লাকী বেগম, সুবর্ণা আক্তারকেও কুপিয়ে এবং ইট দিয়ে থেঁতলে আহত করে।
আরও পড়ুন, স্বাধীনতার পর শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল, সম্পাদক রবীন, ধর্ম ও সাহিত্যে আলমগীর
এ সময় আজাদ হোসেন নামের তার প্রতিবন্ধীর সন্তান ও আবির নামের শিশু নাতিকেও একই কায়দায় আহত করে তারা। পরে বাড়ির লোকজন তাদের রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখানেও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। সৃষ্ট ঘটনায় অভিযুক্তদের না পেয়ে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী সৃষ্ট ঘটনায় অভিযোগ প্রাপ্তির কথা অস্বীকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একই পরিবারের ফিরোজা বেগম (৫৮), পাখি বেগম (২৫), লাখি বেগম (২০), সুবর্ণা আক্তার (১৭), আজাদ হোসেন (২২) এবং আবির (৬) নামের ৬ জনকে কুপিয়ে ও ইট দিয়ে থেঁতলে আহত করা হয়েছে। এসময় হামলাকারীরা ওই অসহায় পরিবারের বসতঘর ভাঙচুর সহ পরিবারটির জমানো ফিতরার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার উপজেলার ৩ নং ভাদুর ইউনিয়নের সমেষপুর গ্রামের তফাদার বাড়িতে। মুমূর্ষ অবস্থায় আহতদের রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে রামগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে ইজিপিপি প্রকল্পের খাল খননের উদ্বোধন
এ ব্যাপারে আহত ফিরোজা বেগম জানান, তার স্বামী শাহাজান বিগত ২০ বছর পূর্বে মারা যান। এরপর তার ভাসুর ওজি উল্লাহ তাদের প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে না দিয়ে তাদের বসতবাড়ি থেকে উৎখাতের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। বিগত আট বছর পূর্বে তার ভাসুর মৃত্যুবরণ করলে তার ছেলে হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর সহ তাদের পরিবারের লোকজন তার ওপর নানান রকম নির্যাতন চালানো শুরু করে। এরই সূত্রধরে মঙ্গলবার সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর ও তাদের ছেলে শামীম, সোহাগ, শুভ'র নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর সহ তার জমানো ফিতরার টাকা নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফিরোজকে আহত করে। এসময় তাকে বাঁচাতে এলে হামলাকারীরা পাখি বেগম, লাকী বেগম, সুবর্ণা আক্তারকেও কুপিয়ে এবং ইট দিয়ে থেঁতলে আহত করে।
আরও পড়ুন, স্বাধীনতার পর শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল, সম্পাদক রবীন, ধর্ম ও সাহিত্যে আলমগীর
এ সময় আজাদ হোসেন নামের তার প্রতিবন্ধীর সন্তান ও আবির নামের শিশু নাতিকেও একই কায়দায় আহত করে তারা। পরে বাড়ির লোকজন তাদের রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখানেও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। সৃষ্ট ঘটনায় অভিযুক্তদের না পেয়ে তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী সৃষ্ট ঘটনায় অভিযোগ প্রাপ্তির কথা অস্বীকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন