পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ইরানের প্রস্তাবিত টোল ব্যবস্থা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর ৬টি দেশ। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বৈঠকে অংশ নেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান।
আরও পড়ুন, জেদ্দা সম্মেলনে ওমান নেই, হরমুজে উত্তেজনায় নতুন মোড়
বৈঠক শেষে জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আলবুদাইউই এক বিবৃতিতে জানান, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরানের প্রস্তাবিত টোল আদায় ‘অবৈধ’ এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, জিসিসি ও এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই ধরনের কোনো অর্থ প্রদান করবে না। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়েই পরিচালিত হয়, ফলে এখানে যেকোনো পরিবর্তন আন্তর্জাতিক বাজারে বড় প্রভাব ফেলে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক খারাপই থাকুক আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য
এর আগে চলতি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান হুমকি দিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ প্রণালিতে দেখা গেলে হামলা চালানো হতে পারে। পরে অবশ্য বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য এক ডলার টোল এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের অনুমতি নেওয়ার শর্ত আরোপ করে। জিসিসি দেশগুলোর সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, এই শর্ত সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ইরানের প্রস্তাবিত টোল ব্যবস্থা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর ৬টি দেশ। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বৈঠকে অংশ নেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান।
আরও পড়ুন, জেদ্দা সম্মেলনে ওমান নেই, হরমুজে উত্তেজনায় নতুন মোড়
বৈঠক শেষে জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আলবুদাইউই এক বিবৃতিতে জানান, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরানের প্রস্তাবিত টোল আদায় ‘অবৈধ’ এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, জিসিসি ও এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই ধরনের কোনো অর্থ প্রদান করবে না। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি প্রায় ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়েই পরিচালিত হয়, ফলে এখানে যেকোনো পরিবর্তন আন্তর্জাতিক বাজারে বড় প্রভাব ফেলে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক খারাপই থাকুক আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য
এর আগে চলতি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান হুমকি দিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ প্রণালিতে দেখা গেলে হামলা চালানো হতে পারে। পরে অবশ্য বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলেও প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য এক ডলার টোল এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের অনুমতি নেওয়ার শর্ত আরোপ করে। জিসিসি দেশগুলোর সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, এই শর্ত সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন