বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো না হওয়াই তিনি চান।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, তিনি প্রতিদিন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন—বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার মতো সম্পর্ক যেন একই অবস্থায় থাকে, উন্নতি না হয়।তার এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বিশেষ করে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তার বক্তব্য আরও বিতর্ক তৈরি করেছে।সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন,
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ নির্দিষ্ট সময় ধরে কিছু মানুষকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পরে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ‘পুশ-ব্যাক’ করে। তিনি বলেন, সীমান্তে যখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ উপস্থিত থাকে না, তখনই এই কাজটি করা হয়।উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুরোনো নাম বিডিআর হিসেবেই উল্লেখ করেন।হিমন্ত বিশ্বশর্মা আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক যখন ভালো থাকে, তখন সীমান্তে কড়াকড়ি কমে যায়। আর এই পরিস্থিতি
আরো পড়ুন , জেদ্দা সম্মেলনে ওমান নেই, হরমুজে উত্তেজনায় নতুন মোড়
আসামের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে করেন তিনি।তার ভাষায়, সম্পর্ক খারাপ থাকলে সীমান্তে কঠোর নজরদারি থাকে, যা আসামের জন্য সুবিধাজনক।এই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচারিত হয় ১৫ এপ্রিল, তবে সম্প্রতি এর অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।সাংবাদিক মেঘা প্রসাদ তার বক্তব্যকে ‘ভারতবিরোধী’ বলে মন্তব্য করলে, জবাবে হিমন্ত বলেন—তিনি শুধু নিজের মতামতই প্রকাশ করেছেন।সব মিলিয়ে, তার এই মন্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং সীমান্ত রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো না হওয়াই তিনি চান।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, তিনি প্রতিদিন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন—বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার মতো সম্পর্ক যেন একই অবস্থায় থাকে, উন্নতি না হয়।তার এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বিশেষ করে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তার বক্তব্য আরও বিতর্ক তৈরি করেছে।সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন,
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ নির্দিষ্ট সময় ধরে কিছু মানুষকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পরে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ‘পুশ-ব্যাক’ করে। তিনি বলেন, সীমান্তে যখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ উপস্থিত থাকে না, তখনই এই কাজটি করা হয়।উল্লেখ্য, তিনি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পুরোনো নাম বিডিআর হিসেবেই উল্লেখ করেন।হিমন্ত বিশ্বশর্মা আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক যখন ভালো থাকে, তখন সীমান্তে কড়াকড়ি কমে যায়। আর এই পরিস্থিতি
আরো পড়ুন , জেদ্দা সম্মেলনে ওমান নেই, হরমুজে উত্তেজনায় নতুন মোড়
আসামের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে করেন তিনি।তার ভাষায়, সম্পর্ক খারাপ থাকলে সীমান্তে কঠোর নজরদারি থাকে, যা আসামের জন্য সুবিধাজনক।এই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচারিত হয় ১৫ এপ্রিল, তবে সম্প্রতি এর অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।সাংবাদিক মেঘা প্রসাদ তার বক্তব্যকে ‘ভারতবিরোধী’ বলে মন্তব্য করলে, জবাবে হিমন্ত বলেন—তিনি শুধু নিজের মতামতই প্রকাশ করেছেন।সব মিলিয়ে, তার এই মন্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং সীমান্ত রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন