রাজধানীতে ছিনতাই, ডাকাতি, সশস্ত্র হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিক ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে রাজধানীতে ১২২টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় ১৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও অপরাধের প্রবণতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।সাম্প্রতিক ঘটনায়, মোহাম্মদপুরে পুলিশের এসআই ওসমান গনির ওপর হামলা, কদমতলীতে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন খানের ওপর ছুরিকাঘাত এবং কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজ নিহত হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই হামলায় দুই পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন।এদিকে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি আইইডি সদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন, বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দায়িত্ব পালনের সূচনা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরকটি এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, সক্রিয় হলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।কাফরুলের ঘটনায় তদন্তকারীরা রাজনৈতিক আধিপত্য, স্থানীয় বিরোধ এবং আসন্ন সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর নির্বাচনকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে খতিয়ে দেখছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় অস্ত্রসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পেছনের পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের শনাক্তে ডিবি এবং সংশ্লিষ্ট থানা যৌথভাবে কাজ করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বিশ্লেষকদের মতে, সংঘবদ্ধ সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা না গেলে রাজধানীতে সহিংস অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
রাজধানীতে ছিনতাই, ডাকাতি, সশস্ত্র হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিক ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে রাজধানীতে ১২২টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় ১৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও অপরাধের প্রবণতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।সাম্প্রতিক ঘটনায়, মোহাম্মদপুরে পুলিশের এসআই ওসমান গনির ওপর হামলা, কদমতলীতে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন খানের ওপর ছুরিকাঘাত এবং কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজ নিহত হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই হামলায় দুই পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন।এদিকে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি আইইডি সদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন, বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দায়িত্ব পালনের সূচনা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরকটি এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, সক্রিয় হলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।কাফরুলের ঘটনায় তদন্তকারীরা রাজনৈতিক আধিপত্য, স্থানীয় বিরোধ এবং আসন্ন সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর নির্বাচনকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে খতিয়ে দেখছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় অস্ত্রসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পেছনের পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের শনাক্তে ডিবি এবং সংশ্লিষ্ট থানা যৌথভাবে কাজ করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বিশ্লেষকদের মতে, সংঘবদ্ধ সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করা না গেলে রাজধানীতে সহিংস অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন