বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং-এ শ্রমিক ইউনিয়ন আগামী মাসে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। যৌথ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটি ২১ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় কোম্পানিটির চিপ কারখানার সামনে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হাজার হাজার কর্মী বিক্ষোভ করেন। শ্রমিকদের এই আন্দোলন এখন পূর্ণাঙ্গ ধর্মঘটে রূপ নিতে যাচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন, লাল গ্রহে জীবনের উপাদান
বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মঘটের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ওন বা প্রায় ৬৭ কোটি ডলারের ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ক্ষতির পরিমাণ ১০ ট্রিলিয়ন ওন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি স্যামসাংয়ের জন্য বড় ঝুঁকি হলো বিশ্ববাজারে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। কারণ, এনভিডিয়া ও এএমডি-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো চিপের জন্য স্যামসাংয়ের ওপর নির্ভরশীল। এ অবস্থায় গ্রাহকরা বিকল্প হিসেবে টিএসএমসি-এর দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, ভুল চার্জিং অভ্যাসে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে স্মার্টফোন
শ্রমিকদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে পারফরম্যান্স বোনাসের ঊর্ধ্বসীমা বাতিল, বোনাস নির্ধারণে স্বচ্ছতা এবং বার্ষিক মুনাফার ১৫ শতাংশ বোনাস হিসেবে দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধর্মঘটের প্রথম দিনে লি জে-ইয়ং-এর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর এটি হবে স্যামসাংয়ের দ্বিতীয় সাধারণ ধর্মঘট। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ দিনের কর্মবিরতির মুখে পড়েছিল।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং-এ শ্রমিক ইউনিয়ন আগামী মাসে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। যৌথ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটি ২১ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় কোম্পানিটির চিপ কারখানার সামনে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হাজার হাজার কর্মী বিক্ষোভ করেন। শ্রমিকদের এই আন্দোলন এখন পূর্ণাঙ্গ ধর্মঘটে রূপ নিতে যাচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন, লাল গ্রহে জীবনের উপাদান
বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মঘটের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ওন বা প্রায় ৬৭ কোটি ডলারের ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ ক্ষতির পরিমাণ ১০ ট্রিলিয়ন ওন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি স্যামসাংয়ের জন্য বড় ঝুঁকি হলো বিশ্ববাজারে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। কারণ, এনভিডিয়া ও এএমডি-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো চিপের জন্য স্যামসাংয়ের ওপর নির্ভরশীল। এ অবস্থায় গ্রাহকরা বিকল্প হিসেবে টিএসএমসি-এর দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, ভুল চার্জিং অভ্যাসে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে স্মার্টফোন
শ্রমিকদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে পারফরম্যান্স বোনাসের ঊর্ধ্বসীমা বাতিল, বোনাস নির্ধারণে স্বচ্ছতা এবং বার্ষিক মুনাফার ১৫ শতাংশ বোনাস হিসেবে দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধর্মঘটের প্রথম দিনে লি জে-ইয়ং-এর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর এটি হবে স্যামসাংয়ের দ্বিতীয় সাধারণ ধর্মঘট। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ দিনের কর্মবিরতির মুখে পড়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন