গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় ঘটে যাওয়া বাবা-ছেলে হত্যাকাণ্ড এখন রহস্যে ঘেরা। একই রাতে দুইজনের মৃত্যু, তার ওপর পরিবারের সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল তৈরি করেছে।নিহত মো. সোহেল (৪৮) ও তার ছেলে সাকিবুর রহমান শোয়েব (১৭)। শোয়েব রাজধানীর উত্তরার একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি তেজগাঁওয়ে একটি দোকানে কাজ করতেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৮ মাস আগে সোহেলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। নিজেই রান্না করে সন্তানদের দেখাশোনা করতেন।
আরো পড়ুন , সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে আইনজীবীদের মানববন্ধন
ঘটনার রাতে তিনজন একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। তবে ভোরে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। শোয়েবের লাশ ঘরের ভেতর এবং সোহেলের লাশ রেললাইনের পাশে পাওয়া যায়।পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে বড় ছেলে সাইফুর রহমানকে বাবাকে টেনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এতে ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এতে আরও একজনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।এদিকে স্থানীয়দের দাবি, পরিবারটি শান্ত-স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো বিরোধের কথা জানা যায়নি। ফলে হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
বিষয় : হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট বাবা-ছেলে

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় ঘটে যাওয়া বাবা-ছেলে হত্যাকাণ্ড এখন রহস্যে ঘেরা। একই রাতে দুইজনের মৃত্যু, তার ওপর পরিবারের সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ—সব মিলিয়ে ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও কৌতূহল তৈরি করেছে।নিহত মো. সোহেল (৪৮) ও তার ছেলে সাকিবুর রহমান শোয়েব (১৭)। শোয়েব রাজধানীর উত্তরার একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি তেজগাঁওয়ে একটি দোকানে কাজ করতেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৮ মাস আগে সোহেলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। নিজেই রান্না করে সন্তানদের দেখাশোনা করতেন।
আরো পড়ুন , সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে আইনজীবীদের মানববন্ধন
ঘটনার রাতে তিনজন একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। তবে ভোরে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা। শোয়েবের লাশ ঘরের ভেতর এবং সোহেলের লাশ রেললাইনের পাশে পাওয়া যায়।পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে বড় ছেলে সাইফুর রহমানকে বাবাকে টেনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এতে ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এতে আরও একজনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।এদিকে স্থানীয়দের দাবি, পরিবারটি শান্ত-স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো বিরোধের কথা জানা যায়নি। ফলে হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজনদের ধরতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন