ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ভিন্ন এক দৃশ্যে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। প্রথম দফা নির্বাচনের আগে শেষ ছুটির দিনে রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রচারের ফাঁকে তিনি রাস্তার পাশের একটি ঝালমুড়ির দোকানে থেমে যান এবং নিজ হাতে ঝালমুড়ি কিনে খান। দোকানে হঠাৎ প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। পরে তিনি নিজের খাওয়ার পাশাপাশি উপস্থিত মানুষের সঙ্গেও ঝালমুড়ি ভাগ করে নেন। খাওয়ার শেষে তিনি দোকানদারকে ১০ রুপি মূল্য পরিশোধ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সভামঞ্চে বক্তব্য শেষ করে হেলিকপ্টারের দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎই মোদি রাস্তার পাশে রাজকলেজ মোড়ের একটি জনপ্রিয় ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে পড়েন। মুহূর্তেই সেখানে তৈরি হয় চমক ও কৌতূহল।দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি স্থানীয়ভাবে “বিহারীবাবু” নামে পরিচিত, জানান, এমন আকস্মিক ঘটনায় তিনি এখনও বিস্মিত।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির মাঝেই শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান: ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি
প্রচারের সময় মোদি রাজনৈতিক বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, “মুক্ত বিজলি যোজনা” প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সোলার প্যানেল বসানোর জন্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিদ্যুৎ বিল শূন্যে নামানো সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন, ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ
মোদি দাবি করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারপ্রতি প্রায় ৮০ হাজার রুপি পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ভিন্ন এক দৃশ্যে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। প্রথম দফা নির্বাচনের আগে শেষ ছুটির দিনে রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রচারের ফাঁকে তিনি রাস্তার পাশের একটি ঝালমুড়ির দোকানে থেমে যান এবং নিজ হাতে ঝালমুড়ি কিনে খান। দোকানে হঠাৎ প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। পরে তিনি নিজের খাওয়ার পাশাপাশি উপস্থিত মানুষের সঙ্গেও ঝালমুড়ি ভাগ করে নেন। খাওয়ার শেষে তিনি দোকানদারকে ১০ রুপি মূল্য পরিশোধ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সভামঞ্চে বক্তব্য শেষ করে হেলিকপ্টারের দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎই মোদি রাস্তার পাশে রাজকলেজ মোড়ের একটি জনপ্রিয় ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে পড়েন। মুহূর্তেই সেখানে তৈরি হয় চমক ও কৌতূহল।দোকানের মালিক বিক্রম সাউ, যিনি স্থানীয়ভাবে “বিহারীবাবু” নামে পরিচিত, জানান, এমন আকস্মিক ঘটনায় তিনি এখনও বিস্মিত।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির মাঝেই শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান: ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি
প্রচারের সময় মোদি রাজনৈতিক বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, “মুক্ত বিজলি যোজনা” প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সোলার প্যানেল বসানোর জন্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিদ্যুৎ বিল শূন্যে নামানো সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন, ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ
মোদি দাবি করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারপ্রতি প্রায় ৮০ হাজার রুপি পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন