দেশের চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি সংকটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ৯ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।শুক্রবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা ও মহানগরী আমীরদের সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হয়।সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে জামায়াতের আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সরকারসহ সকল পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।দলটির নেতারা অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনগণের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
আরো পড়ুন , ‘অসহিষ্ণুতার লক্ষণ’ জাগপা অফিসে হামলা নিয়ে সারজিসের ক্ষোভ
দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান তারা।এছাড়া ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে বলা হয়, দেশীয় গ্যাস ও কয়লা উত্তোলনে গুরুত্ব দিতে হবে, পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষিতে সার সংকট নিরসন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়।প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় দলটি।দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতে সংস্কার, অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবিও তুলে ধরা হয়।
বিষয় : প্রস্তাব জ্বালানি সংকট ৯ দফা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি সংকটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ৯ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।শুক্রবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা ও মহানগরী আমীরদের সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হয়।সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে জামায়াতের আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সরকারসহ সকল পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।দলটির নেতারা অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনগণের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
আরো পড়ুন , ‘অসহিষ্ণুতার লক্ষণ’ জাগপা অফিসে হামলা নিয়ে সারজিসের ক্ষোভ
দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান তারা।এছাড়া ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে বলা হয়, দেশীয় গ্যাস ও কয়লা উত্তোলনে গুরুত্ব দিতে হবে, পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষিতে সার সংকট নিরসন ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়।প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় দলটি।দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতে সংস্কার, অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবিও তুলে ধরা হয়।

আপনার মতামত লিখুন