যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, এবং খুব শিগগিরই নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের বিদেশি হুমকি বা আগ্রাসন মোকাবিলায় ইরান পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।
আরও পড়ুন, ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির পর ঘরে ফিরতে শুরু করেছে বাস্তুচ্যুত মানুষ
শুক্রবার দেশটির জাতীয় ‘সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনী -এর নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং দেশীয় প্রযুক্তি ও আধুনিক সমরাস্ত্রের ওপর নির্ভর করে ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও জনগণের শান্তি রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শত্রুপক্ষ কোনো ধরনের উস্কানি বা ভুল পদক্ষেপ নিলে তার কঠোর জবাব দিতে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য প্রস্তুত—“আঙুল ট্রিগারে”।
আরও পড়ুন, রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহতের সংখ্যা ১৭
মেজর জেনারেল হাতামি তার বক্তব্যে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ সমুন্নত রাখা এবং জনগণের সেবায় ইরানি সেনাবাহিনী অতীতের মতোই অটল থাকবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের কড়া অবস্থান এবং সামরিক প্রস্তুতি মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, এবং খুব শিগগিরই নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের বিদেশি হুমকি বা আগ্রাসন মোকাবিলায় ইরান পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।
আরও পড়ুন, ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির পর ঘরে ফিরতে শুরু করেছে বাস্তুচ্যুত মানুষ
শুক্রবার দেশটির জাতীয় ‘সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনী -এর নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং দেশীয় প্রযুক্তি ও আধুনিক সমরাস্ত্রের ওপর নির্ভর করে ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও জনগণের শান্তি রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শত্রুপক্ষ কোনো ধরনের উস্কানি বা ভুল পদক্ষেপ নিলে তার কঠোর জবাব দিতে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য প্রস্তুত—“আঙুল ট্রিগারে”।
আরও পড়ুন, রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহতের সংখ্যা ১৭
মেজর জেনারেল হাতামি তার বক্তব্যে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ সমুন্নত রাখা এবং জনগণের সেবায় ইরানি সেনাবাহিনী অতীতের মতোই অটল থাকবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের কড়া অবস্থান এবং সামরিক প্রস্তুতি মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন