মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিজেদের শর্তে শান্তি চুক্তিতে ইরানকে বাধ্য করতে একের পর এক চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, সম্ভাব্য হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত।
আরও পড়ুন, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের
হেগসেথ বলেন, “ইরান এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে—তারা চাইলে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বেছে নিতে পারে, নতুবা ধ্বংসাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ইরানের নৌ সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। ইরানে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোকে কঠোর নজরদারির আওতায় রাখা হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে প্রয়োজন হলে শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
আরও পড়ুন, ইরান ইস্যুতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ আলোচনা ইসলামাবাদে
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, মার্কিন বাহিনী যেকোনো সময় বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি জাহাজ অবরোধের মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান যদি সহযোগিতা না করে, তাহলে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বাড়ানো হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে, যার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পড়তে পারে।
বিষয় : ইরান চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য হুঁশিয়ারি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিজেদের শর্তে শান্তি চুক্তিতে ইরানকে বাধ্য করতে একের পর এক চাপ প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, সম্ভাব্য হামলার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত।
আরও পড়ুন, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের
হেগসেথ বলেন, “ইরান এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে—তারা চাইলে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বেছে নিতে পারে, নতুবা ধ্বংসাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ইরানের নৌ সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। ইরানে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোকে কঠোর নজরদারির আওতায় রাখা হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে প্রয়োজন হলে শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
আরও পড়ুন, ইরান ইস্যুতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ আলোচনা ইসলামাবাদে
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, মার্কিন বাহিনী যেকোনো সময় বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি জাহাজ অবরোধের মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান যদি সহযোগিতা না করে, তাহলে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বাড়ানো হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করছে, যার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন