প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে হালখাতা খোলার মতো জাতীয় জীবনের সব বকেয়া পরিশোধ করতে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নববর্ষের এই দিনে পয়লা বৈশাখে হালখাতা খোলা হয়, যেখানে সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়। আমরা চাই, জাতীয় জীবনে আমাদের যত বকেয়া রয়েছে, সেই বকেয়া যাতে পরিশোধ করা হয়। সেই বকেয়া হচ্ছে জুলাই সনদ।
আরও পড়ুন, নববর্ষে রাজধানীতে জামায়াতের শোভাযাত্রা
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, নির্বাচন হয়েছে, সবকিছুই হয়েছে। সরকার গঠিত হয়েছে, বিরোধীদল হয়েছে। কিন্তু জনগণ সংস্কারটা পায়নি। ফলে সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে। নতুন সরকার নতুনভাবে কার্যক্রম করছে। ফলে জনগণের বাকি রয়ে গেছে রক্তের দেনা, রক্তের ঋণ। নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার, এই যে নতুন বছর শুরু হচ্ছে, এই নতুন বছরে আমরা সেই বকেয়া পরিশোধ করব। জুলাই সনদকে যারা নানাভাবে অমান্য করার চেষ্টা করছে, গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
আরও পড়ুন, কৃষক কার্ডে নতুন দিগন্ত: তারেক রহমানের কৃষি ভাবনায় স্বনির্ভরতার স্বপ্ন দেখছেন রিজভী
নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে বেইমানি করেছে। আমরা আশা করব, দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুনভাবে সেগুলোকে বিল হিসেবে এনে আইনে পরিণত করা হবে। নাহিদ ইসলাম বলেন, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে সেগুলোকে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার করা হয়েছিল। একইভাবে পয়লা বৈশাখসহ অনেকগুলো উৎসবকেও দলীয়করণ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসবগুলোকে আমরা নাগরিক উৎসব হিসেবে উদ্যাপন করার চেষ্টা করছি। সংস্কারের লড়াইয়ের সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াইও চলমান থাকবে।
বিষয় : সংস্কার নাহিদ ইসলাম হালখাতা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে হালখাতা খোলার মতো জাতীয় জীবনের সব বকেয়া পরিশোধ করতে ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নববর্ষের এই দিনে পয়লা বৈশাখে হালখাতা খোলা হয়, যেখানে সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়। আমরা চাই, জাতীয় জীবনে আমাদের যত বকেয়া রয়েছে, সেই বকেয়া যাতে পরিশোধ করা হয়। সেই বকেয়া হচ্ছে জুলাই সনদ।
আরও পড়ুন, নববর্ষে রাজধানীতে জামায়াতের শোভাযাত্রা
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, নির্বাচন হয়েছে, সবকিছুই হয়েছে। সরকার গঠিত হয়েছে, বিরোধীদল হয়েছে। কিন্তু জনগণ সংস্কারটা পায়নি। ফলে সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে। নতুন সরকার নতুনভাবে কার্যক্রম করছে। ফলে জনগণের বাকি রয়ে গেছে রক্তের দেনা, রক্তের ঋণ। নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার, এই যে নতুন বছর শুরু হচ্ছে, এই নতুন বছরে আমরা সেই বকেয়া পরিশোধ করব। জুলাই সনদকে যারা নানাভাবে অমান্য করার চেষ্টা করছে, গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
আরও পড়ুন, কৃষক কার্ডে নতুন দিগন্ত: তারেক রহমানের কৃষি ভাবনায় স্বনির্ভরতার স্বপ্ন দেখছেন রিজভী
নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে বেইমানি করেছে। আমরা আশা করব, দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুনভাবে সেগুলোকে বিল হিসেবে এনে আইনে পরিণত করা হবে। নাহিদ ইসলাম বলেন, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে সেগুলোকে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার করা হয়েছিল। একইভাবে পয়লা বৈশাখসহ অনেকগুলো উৎসবকেও দলীয়করণ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসবগুলোকে আমরা নাগরিক উৎসব হিসেবে উদ্যাপন করার চেষ্টা করছি। সংস্কারের লড়াইয়ের সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াইও চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন