দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

হরমুজ প্রণালি পেরোল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

হরমুজ প্রণালি পেরোল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
হরমুজ প্রণালি পেরোল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার সময়ে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এটি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো যুদ্ধজাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করেছে। এদিকে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এই পদক্ষেপের বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে আগে থেকে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পরিচালিত একটি অভিযান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অতিক্রম করেছে।

আরও পড়ুন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা প্রাণ গেল ১৩ নিরাপত্তাকর্মীর

সেন্টকম জানায়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আগে যেসব মাইন পেতে রেখেছিল, সেগুলো থেকে প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ মুক্ত করাই এই অভিযানের লক্ষ্য। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশই এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। এদিকে, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা একটি মার্কিন সামরিক জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে। এই অস্ত্রব্যবস্থার মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়।

এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। বেইজিং বলেছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতিতে তারা সহায়তা করেছে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আরও পড়ুন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মুখোমুখি, শান্তি আলোচনায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু

ওই সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করছেন, ইরান হয়ত এই যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান হয়তো কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুদ করছে।দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেমন দাবি করা হচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলোর দাবি, বেইজিং যেসব অস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়।

এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। এখন বেইজিং যদি সত্যিই ইরানে অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হবে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আরও পড়ুন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান প্রথম দফা আলোচনা শেষ, মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

ওই সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করছেন, ইরান হয়ত এই যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান হয়তো কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুদ করছে।দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেমন দাবি করা হচ্ছে।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলোর দাবি, বেইজিং যেসব অস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়। এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। এখন বেইজিং যদি সত্যিই ইরানে অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হবে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। 

বিষয় : মার্কিন যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


হরমুজ প্রণালি পেরোল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার সময়ে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এটি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো যুদ্ধজাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করেছে। এদিকে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এই পদক্ষেপের বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে আগে থেকে কোনো সমন্বয় করা হয়নি। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পরিচালিত একটি অভিযান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অতিক্রম করেছে।

আরও পড়ুন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা প্রাণ গেল ১৩ নিরাপত্তাকর্মীর

সেন্টকম জানায়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আগে যেসব মাইন পেতে রেখেছিল, সেগুলো থেকে প্রণালিটিকে সম্পূর্ণ মুক্ত করাই এই অভিযানের লক্ষ্য। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশই এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। এদিকে, শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা একটি মার্কিন সামরিক জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এমন দাবি করেছে বলে তিনটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে। এই অস্ত্রব্যবস্থার মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়।

এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। বেইজিং বলেছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ যুদ্ধবিরতিতে তারা সহায়তা করেছে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আরও পড়ুন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মুখোমুখি, শান্তি আলোচনায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু

ওই সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করছেন, ইরান হয়ত এই যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান হয়তো কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুদ করছে।দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেমন দাবি করা হচ্ছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলোর দাবি, বেইজিং যেসব অস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়।

এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। এখন বেইজিং যদি সত্যিই ইরানে অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হবে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

আরও পড়ুন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান প্রথম দফা আলোচনা শেষ, মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

ওই সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করছেন, ইরান হয়ত এই যুদ্ধবিরতিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় ইরান হয়তো কিছু নির্দিষ্ট অস্ত্রব্যবস্থা আবার মজুদ করছে।দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, প্রকৃত উৎস আড়াল করতে বেইজিং তাদের অস্ত্রের চালান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ইরানে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেমন দাবি করা হচ্ছে।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলোর দাবি, বেইজিং যেসব অস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ম্যানপ্যাডস’ বলা হয়। এসব অস্ত্র পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের সময় অপেক্ষাকৃত নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের জন্য একটি অসম হুমকি তৈরি করেছিল। চলমান যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের হুমকি তৈরি হতে পারে। এখন বেইজিং যদি সত্যিই ইরানে অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হবে। আগামী মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত