বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে অধস্তন আদালতের ২৮ জন বিচারককে শোকজ করেছে আইন মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে।মঙ্গলবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।তিনি বলেন, বিচারকদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে মতামত প্রকাশের কারণে শোকজ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আরো পড়ুন , তারেক রহমানের চিঠি বিজেপির নিতিন নবীনের কাছে হস্তান্তর
বিচারকদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটিও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোথায় দাঁড়ায়—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।হাসনাত আরও অভিযোগ করেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া একটি ‘ভয় দেখানোর কৌশল’। এর মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে—চুপ না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে।তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর বিচারকদের মধ্যে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিবেশ আবারও ভয়ের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের সীমা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে অধস্তন আদালতের ২৮ জন বিচারককে শোকজ করেছে আইন মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে।মঙ্গলবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।তিনি বলেন, বিচারকদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে মতামত প্রকাশের কারণে শোকজ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
আরো পড়ুন , তারেক রহমানের চিঠি বিজেপির নিতিন নবীনের কাছে হস্তান্তর
বিচারকদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটিও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোথায় দাঁড়ায়—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।হাসনাত আরও অভিযোগ করেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া একটি ‘ভয় দেখানোর কৌশল’। এর মাধ্যমে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে—চুপ না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে।তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর বিচারকদের মধ্যে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিবেশ আবারও ভয়ের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের সীমা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন