ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুইদিনের সরকারি সফরে ইসরায়েল যাচ্ছেন। ২০১৭ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফর করেছিলেন। খবর আল জাজিরার। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু উল্লেখ করেছেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের জোটকে আরও শক্তিশালী করার কাজ হবে।
সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে তেল আবিবের নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদনের পর ভারতসহ প্রায় ১০০টি দেশ ইসরাইলকে নিন্দা জানিয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভারত অনেকদিন ধরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন দিয়ে আসছে।
আরও পড়ুন, আইএসের নতুন হুমকি সিরিয়ার আল-শারার সরকারের লক্ষ্য
সফরের সময় দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে পারে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নেই। অনুমান করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইসরাইল ভারতকে সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজার পরিস্থিতি এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আগ্রাসনের মধ্যে মোদির সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : ভারত ইসরায়েল নরেন্দ্র মোদি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুইদিনের সরকারি সফরে ইসরায়েল যাচ্ছেন। ২০১৭ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফর করেছিলেন। খবর আল জাজিরার। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু উল্লেখ করেছেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের জোটকে আরও শক্তিশালী করার কাজ হবে।
সম্প্রতি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে তেল আবিবের নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদনের পর ভারতসহ প্রায় ১০০টি দেশ ইসরাইলকে নিন্দা জানিয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিখাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভারত অনেকদিন ধরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন দিয়ে আসছে।
আরও পড়ুন, আইএসের নতুন হুমকি সিরিয়ার আল-শারার সরকারের লক্ষ্য
সফরের সময় দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে পারে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নেই। অনুমান করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইসরাইল ভারতকে সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজার পরিস্থিতি এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আগ্রাসনের মধ্যে মোদির সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন