এখন টিভি ও বাসসের ঘটনা অশুভ সংস্কৃতির আভাস দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একইসঙ্গে সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেছে দলটি। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না চাওয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, বাসসের প্রধান সম্পাদকের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা দুঃখজনক। তার ব্যাপারে কারো যৌক্তিক কোনো অভিযোগ থাকলে তা সুরাহা করার আইনি ব্যবস্থা আছে, তার চর্চা না করে এক ধরনের মব তৈরি করে তাকে অপদস্থ করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। অন্যদিকে এখন টিভিতে সরকার গঠনের দিনেই চারজন সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো একটি অশুভ আলামত। যে কারণ দেখিয়ে ছুটি দেওয়া হয়েছে তা অস্পষ্ট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না চাওয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ।
আরও পড়ুন, বিরোধী দলের মাধ্যমে সরকারে প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বাড়াতে ছায়া মন্ত্রিসভা
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা উভয় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে সাংবাদিক মাহমুদ রাকিব, আজহারুল ইসলাম, মুজাহিদ শুভ ও বেলায়েত হোসাইনের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রত্যাহার করে চাকরিতে পুনর্বহালের জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিষয় : আভাস ইসলামী আন্দোলন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এখন টিভি ও বাসসের ঘটনা অশুভ সংস্কৃতির আভাস দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একইসঙ্গে সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেছে দলটি। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না চাওয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, বাসসের প্রধান সম্পাদকের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা দুঃখজনক। তার ব্যাপারে কারো যৌক্তিক কোনো অভিযোগ থাকলে তা সুরাহা করার আইনি ব্যবস্থা আছে, তার চর্চা না করে এক ধরনের মব তৈরি করে তাকে অপদস্থ করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। অন্যদিকে এখন টিভিতে সরকার গঠনের দিনেই চারজন সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো একটি অশুভ আলামত। যে কারণ দেখিয়ে ছুটি দেওয়া হয়েছে তা অস্পষ্ট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না চাওয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ।
আরও পড়ুন, বিরোধী দলের মাধ্যমে সরকারে প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বাড়াতে ছায়া মন্ত্রিসভা
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা উভয় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে সাংবাদিক মাহমুদ রাকিব, আজহারুল ইসলাম, মুজাহিদ শুভ ও বেলায়েত হোসাইনের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রত্যাহার করে চাকরিতে পুনর্বহালের জোর দাবি জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন