মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় আবারও মুখোমুখি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা নভোস্তির বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি থেকে দুটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান উড্ডয়ন করে ইরানি আকাশসীমার খুব কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি পি-এইট-এ পসেইডন রিকনেসান্স বিমান বাহরাইন থেকে উড্ডয়ন করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর চক্কর দিচ্ছে। গত কয়েক দিনের মধ্যে এটি এই ধরনের দ্বিতীয় মিশন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, শ্রীলঙ্কার গণঅভ্যুত্থান: সংসদ সদস্য হত্যা মামলায় ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড
একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে উড্ডয়ন করা নর্থরপ গ্রুম্যান কোম্পানির তৈরি একটি এমকিউ-ফোর-সি ট্রাইটন ড্রোন ওমান উপসাগরে ইরানের সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে নজরদারি চালিয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে জানুয়ারির শেষদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের উপকূলে ভেনেজুয়েলার চেয়েও শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন, তারপর থেকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। যদিও এই সাম্প্রতিক বিমান মহড়া নিয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে হরমুজ প্রণালীর মতো স্পর্শকাতর জলপথে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই ঘনঘন বিচরণে ওই এলাকায় যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে।
বিষয় : বিমান মধ্যপ্রাচ্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় আবারও মুখোমুখি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা নভোস্তির বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি থেকে দুটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান উড্ডয়ন করে ইরানি আকাশসীমার খুব কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি পি-এইট-এ পসেইডন রিকনেসান্স বিমান বাহরাইন থেকে উড্ডয়ন করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর চক্কর দিচ্ছে। গত কয়েক দিনের মধ্যে এটি এই ধরনের দ্বিতীয় মিশন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, শ্রীলঙ্কার গণঅভ্যুত্থান: সংসদ সদস্য হত্যা মামলায় ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড
একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে উড্ডয়ন করা নর্থরপ গ্রুম্যান কোম্পানির তৈরি একটি এমকিউ-ফোর-সি ট্রাইটন ড্রোন ওমান উপসাগরে ইরানের সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে নজরদারি চালিয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে জানুয়ারির শেষদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের উপকূলে ভেনেজুয়েলার চেয়েও শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন, তারপর থেকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। যদিও এই সাম্প্রতিক বিমান মহড়া নিয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে হরমুজ প্রণালীর মতো স্পর্শকাতর জলপথে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই ঘনঘন বিচরণে ওই এলাকায় যুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন