দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত
আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আওয়ামী লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আপনারা দেবীদ্বারের যারা আছেন, আপনাদের কাছেই আমার বিচার, আপানারাই সিদ্ধান্ত নেবেন, আমার কিছু বলার নেই। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, আপনারা সিদ্ধান্ত নেন কাকে ভোট দেবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের একজন প্রার্থী নিজে নাকি আবুল কালাম আজাদকে বলে আমি ভিক্ষা চাই, আমাকে পাস করান। জসীম (গণধিকার পরিষদের প্রার্থী) নিজে বলে। এই সব প্রমাণ আমি আপনাদের দিয়েছি। দেবীদ্বারের বিএনপির এর চেয়ে নির্লজ্জতা আর হতে পারে না। আমি বিএনপিকে বারবার বলেছি, আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন, নিপীড়িত হয়েছেন, কিন্তু একটা অংশ বিক্রি হয়ে গেছে।

মিডিয়ার বিরুদ্ধে হাসনাত বলেন, মিডিয়ার কথা আর কী বলব। আমি যা বলে আসছি এত দিন, মিডিয়াতে কোনও ধরনের কথা নাই। মিডিয়া আজকে সব ভোল পাল্টাই ফেলছে। মিডিয়া ব্ল্যাকআউট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে তাদের জায়গা থেকে। কিন্তু তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহকে ঠেকানোর জন্য আজকে আওয়ামী লীগ এক জোট হয়েছে, বিএনপির একটি অংশ এক জোট হয়েছে। ঋণখেলাপিদের অংশ একজোট হয়েছে। গণঅধিকার এক হয়েছে।

আরও পড়ুন, কেউ কেন্দ্র দখল করলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব না : আসিফ মাহমুদ

অভিযোগ করে হাসনাত বলেন, ট্রাক মার্কা বলে দ্বেবিদারে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা সন্ত্রাসের প্রতীক। এর আগে বুধবার বিকেলে লাইভে এসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কালো টাকা বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আমি সহযোগিতা চাই। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। কালো টাকা দিয়ে কেউ ভোট কিনে নেবে সেটা আমরা কখনোই হতে দেব না। এখন থেকে ভোটের ফলাফল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব। যখন দেখল যে, আমাদেরকে আর কোনও কিছু দিয়ে আটকাতে পারছে না, তখন একটি পক্ষ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। যারা টাকা নিয়ে দেবিদ্বারে এসেছেন, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা অপেক্ষা করেছি একটি উৎসবমুখর ভোটের জন্য। মানুষ ভোট দেবে যাকে খুশি তাকে দেবে। কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নেই। এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপির দায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। পরে এ আসনে গণধিকার পরিষদের প্রার্থী জসীম উদ্দীনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

বিষয় : বিএনপি কুমিল্লা হাসনাত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আ. লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে: হাসনাত

প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আমাকে ঠেকানোর জন্য বিএনপির একটি অংশ আওয়ামী লীগের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আপনারা দেবীদ্বারের যারা আছেন, আপনাদের কাছেই আমার বিচার, আপানারাই সিদ্ধান্ত নেবেন, আমার কিছু বলার নেই। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, আপনারা সিদ্ধান্ত নেন কাকে ভোট দেবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের একজন প্রার্থী নিজে নাকি আবুল কালাম আজাদকে বলে আমি ভিক্ষা চাই, আমাকে পাস করান। জসীম (গণধিকার পরিষদের প্রার্থী) নিজে বলে। এই সব প্রমাণ আমি আপনাদের দিয়েছি। দেবীদ্বারের বিএনপির এর চেয়ে নির্লজ্জতা আর হতে পারে না। আমি বিএনপিকে বারবার বলেছি, আপনারা নির্যাতিত হয়েছেন, নিপীড়িত হয়েছেন, কিন্তু একটা অংশ বিক্রি হয়ে গেছে।

মিডিয়ার বিরুদ্ধে হাসনাত বলেন, মিডিয়ার কথা আর কী বলব। আমি যা বলে আসছি এত দিন, মিডিয়াতে কোনও ধরনের কথা নাই। মিডিয়া আজকে সব ভোল পাল্টাই ফেলছে। মিডিয়া ব্ল্যাকআউট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে তাদের জায়গা থেকে। কিন্তু তাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহকে ঠেকানোর জন্য আজকে আওয়ামী লীগ এক জোট হয়েছে, বিএনপির একটি অংশ এক জোট হয়েছে। ঋণখেলাপিদের অংশ একজোট হয়েছে। গণঅধিকার এক হয়েছে।

আরও পড়ুন, কেউ কেন্দ্র দখল করলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব না : আসিফ মাহমুদ

অভিযোগ করে হাসনাত বলেন, ট্রাক মার্কা বলে দ্বেবিদারে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা সন্ত্রাসের প্রতীক। এর আগে বুধবার বিকেলে লাইভে এসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘কালো টাকা বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আমি সহযোগিতা চাই। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। কালো টাকা দিয়ে কেউ ভোট কিনে নেবে সেটা আমরা কখনোই হতে দেব না। এখন থেকে ভোটের ফলাফল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকব। যখন দেখল যে, আমাদেরকে আর কোনও কিছু দিয়ে আটকাতে পারছে না, তখন একটি পক্ষ টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে। যারা টাকা নিয়ে দেবিদ্বারে এসেছেন, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা অপেক্ষা করেছি একটি উৎসবমুখর ভোটের জন্য। মানুষ ভোট দেবে যাকে খুশি তাকে দেবে। কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নেই। এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপির দায়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। পরে এ আসনে গণধিকার পরিষদের প্রার্থী জসীম উদ্দীনকে সমর্থন দেয় বিএনপি।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত