রাজধানী ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করবে এবং নগর উন্নয়ন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাবে, এমন একটি বহুমাত্রিক প্রতিশ্রুতিসহ নির্বাচনী ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গতকাল রোববার মিরপুরের ইসিবি চত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় নির্বাচিত হলে ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ করবেন। তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলেন উন্নত নগর পরিবেশ ও নাগরিক কল্যাণের স্বপ্ন নিয়ে।
৪০টি খেলার মাঠে বিনিয়োগ
তারেক রহমান বলেছেন, যদি বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে রাজধানীর যেকোনো এলাকা এবং নির্দিষ্ট নগর শ্রেণীর জন্য কমপক্ষে ৪০টি নতুন খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এসব মাঠ শিশু ও কিশোরদের জন্য খেলাধুলার পাশাপাশি বয়স্ক এবং নারীদের হাঁটা-চলা, ব্যায়ামের সুবিধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তিনি আলোচনায় তুলে ধরেছেন যে ঢাকা শহরের দ্রুত নগরায়ন ও জনঘনত্বের কারণে খোলা স্থান ও মাঠ ক্রমেই কমে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের বিষয়। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে 'স্বাস্থ্যকর ও সামাজিকতর পরিবেশ' তৈরি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এছাড়া তারেক রহমান ইসিবি চত্বর থেকে মানিকদী-বালুঘাট হয়ে জসীমউদ্দিন পর্যন্ত মূল সড়কটিকে ৬০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করার পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে। এই উন্নয়ন প্রকল্প মূলত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানজট হ্রাসের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত। এই প্রতিশ্রুতিগুলো এসেছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচনী প্রচারণার সময়, যেখানে তানিক সময়ের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অঙ্গীকার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
আরও পড়ুন, ১২ তারিখ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের নির্বাচন: তারেক রহমান
তারেক রহমান একাধিক জনসভায় অংশ নিয়ে ঢাকাকে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য শহর করার দিকেও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। মাঠ নির্মাণ সামাজিক ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোরদের সার্বিক বিকাশে।
নগর উন্নয়ন: সড়ক সম্প্রসারণ এবং খোলা স্থানের উন্নয়ন ঘনবসতি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি উপকারি হলেও বাস্তবায়ন বাজেট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু প্রাথমিক খটকা সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরণের প্রতিশ্রুতি সাধারণত নির্বাচনী সময় ভোটার আকৃষ্টকরণ কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়; বিশেষত যেখানে নগর উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বড় ভোটব্যাঙ্ক আকর্ষণের বিষয়।
বিষয় : তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানী ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করবে এবং নগর উন্নয়ন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাবে, এমন একটি বহুমাত্রিক প্রতিশ্রুতিসহ নির্বাচনী ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গতকাল রোববার মিরপুরের ইসিবি চত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় নির্বাচিত হলে ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ করবেন। তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলেন উন্নত নগর পরিবেশ ও নাগরিক কল্যাণের স্বপ্ন নিয়ে।
৪০টি খেলার মাঠে বিনিয়োগ
তারেক রহমান বলেছেন, যদি বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে রাজধানীর যেকোনো এলাকা এবং নির্দিষ্ট নগর শ্রেণীর জন্য কমপক্ষে ৪০টি নতুন খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এসব মাঠ শিশু ও কিশোরদের জন্য খেলাধুলার পাশাপাশি বয়স্ক এবং নারীদের হাঁটা-চলা, ব্যায়ামের সুবিধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তিনি আলোচনায় তুলে ধরেছেন যে ঢাকা শহরের দ্রুত নগরায়ন ও জনঘনত্বের কারণে খোলা স্থান ও মাঠ ক্রমেই কমে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের বিষয়। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে 'স্বাস্থ্যকর ও সামাজিকতর পরিবেশ' তৈরি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এছাড়া তারেক রহমান ইসিবি চত্বর থেকে মানিকদী-বালুঘাট হয়ে জসীমউদ্দিন পর্যন্ত মূল সড়কটিকে ৬০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করার পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে। এই উন্নয়ন প্রকল্প মূলত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানজট হ্রাসের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত। এই প্রতিশ্রুতিগুলো এসেছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচনী প্রচারণার সময়, যেখানে তানিক সময়ের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অঙ্গীকার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
আরও পড়ুন, ১২ তারিখ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের নির্বাচন: তারেক রহমান
তারেক রহমান একাধিক জনসভায় অংশ নিয়ে ঢাকাকে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য শহর করার দিকেও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। মাঠ নির্মাণ সামাজিক ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোরদের সার্বিক বিকাশে।
নগর উন্নয়ন: সড়ক সম্প্রসারণ এবং খোলা স্থানের উন্নয়ন ঘনবসতি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি উপকারি হলেও বাস্তবায়ন বাজেট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু প্রাথমিক খটকা সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরণের প্রতিশ্রুতি সাধারণত নির্বাচনী সময় ভোটার আকৃষ্টকরণ কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়; বিশেষত যেখানে নগর উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বড় ভোটব্যাঙ্ক আকর্ষণের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন