দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

বাবার জন্মদিনে ফখরুলকন্যার হৃদয়ছুঁয়ে দেওয়া পোস্ট

বাবার জন্মদিনে ফখরুলকন্যার হৃদয়ছুঁয়ে দেওয়া পোস্ট
ফখরুলকন্যার হৃদয়ছুঁয়ে দেওয়া পোস্ট

সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭৯তম জন্মদিন আজ। জীবনের আরও একটি বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা রাখলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও ১ সদর আসনে বাবার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন তিনি। ছোট মেয়ে সাফারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে রাজধানীর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার রাতে বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবাকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বাবার রাজনৈতিক জীবন পরিবার থেকে দূরে থাকা এবং সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরেন।

আরো পড়ুন , শুভ জন্মদিন মির্জা ফখরুল আজ পূর্ণ হলো ৭৯ বছর

পোস্টে শামারুহ মির্জা লেখেন, আমরা দুই বোন যখন ছোট ছিলাম আমার বাবা চাকরি ছেড়ে পুরো পরিবারকে ঢাকায় রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে চলে যান। এক দুইদিন নয় বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছি বাবাকে কাছে না পেয়ে কারণ তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে।

তিনি লেখেন, খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি বিরক্ত হয়েছি কিন্তু বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।শামারুহ মির্জা আরও লেখেন, আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি পিএইচডি করেছি পৃথিবী ঘুরেছি। প্রায়ই ভাবি আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন তার জন্যও এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি আপনাদের জন্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আলমগীর এই বয়সেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার আওয়ামী হামলায় আহত হয়েছেন তার চরিত্র হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এখন তাকে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। শরীর ভালো না থাকলেও তিনি মনোবল হারাননি।শামারুহ মির্জা লেখেন, আমি তার মেয়ে আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। বাসায় তিনি আমাদের যেভাবে কথা বলেন আপনাদের সঙ্গেও ঠিক সেভাবেই বলেন মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।

বিষয় : পোস্ট জন্মদিন ফখরুলকন্যার জন্মদিন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


বাবার জন্মদিনে ফখরুলকন্যার হৃদয়ছুঁয়ে দেওয়া পোস্ট

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭৯তম জন্মদিন আজ। জীবনের আরও একটি বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা রাখলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন। পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও ১ সদর আসনে বাবার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী গণসংযোগ করছেন তিনি। ছোট মেয়ে সাফারুহ মির্জা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে রাজধানীর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার রাতে বড় মেয়ে শামারুহ মির্জা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাবাকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বাবার রাজনৈতিক জীবন পরিবার থেকে দূরে থাকা এবং সংগ্রামের নানা দিক তুলে ধরেন।

আরো পড়ুন , শুভ জন্মদিন মির্জা ফখরুল আজ পূর্ণ হলো ৭৯ বছর

পোস্টে শামারুহ মির্জা লেখেন, আমরা দুই বোন যখন ছোট ছিলাম আমার বাবা চাকরি ছেড়ে পুরো পরিবারকে ঢাকায় রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে চলে যান। এক দুইদিন নয় বছরের পর বছর আমরা বড় হয়েছি বাবাকে কাছে না পেয়ে কারণ তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে।

তিনি লেখেন, খুব কঠিন ছিল আমাদের বড় হওয়া। আমরা কষ্ট পেয়েছি বিরক্ত হয়েছি কিন্তু বাবাকে কোনোদিন নিরাশ হতে দেখিনি।শামারুহ মির্জা আরও লেখেন, আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি পিএইচডি করেছি পৃথিবী ঘুরেছি। প্রায়ই ভাবি আমার বাবাও শিক্ষক ছিলেন তার জন্যও এই জীবনটা সম্ভব ছিল। কিন্তু তিনি কঠিনকে ভালোবেসেছিলেন আপনাদের জন্য। সত্যিই বলছি আপনাদের জন্য।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আলমগীর এই বয়সেও হতোদ্যম হননি। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে ১১ বার আওয়ামী হামলায় আহত হয়েছেন তার চরিত্র হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এখন তাকে উগ্রপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। শরীর ভালো না থাকলেও তিনি মনোবল হারাননি।শামারুহ মির্জা লেখেন, আমি তার মেয়ে আমার দুশ্চিন্তার কোনো শেষ নেই। বাসায় তিনি আমাদের যেভাবে কথা বলেন আপনাদের সঙ্গেও ঠিক সেভাবেই বলেন মন থেকে বলেন। তার চেহারা একটাই।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত