ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত ইন্টারন্যাশনাল স্টাবিলাইজেশন ফোর্সে (আইএসএফ) পাকিস্তান সেনা পাঠাবে কি না, তা চূড়ান্তভাবে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও পার্লামেন্টই নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘বোর্ড অব পিসে’ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে পাকিস্তান। সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম চলাকালে ট্রাম্পের সামনেই সেখানে ২০টি দেশ স্বাক্ষর করে। পাকিস্তানও ওই দলে ছিল।
তবে বোর্ড অব পিসে পাকিস্তানের স্বাক্ষর করা নিয়ে বিরোধী দলগুলো সমালোচনা ও আপত্তি জানিয়েছে। তারা সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সংস্থায় যোগ দেওয়ার ফলে সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে। যা ভালোর চেয়ে খারাপই বেশি হবে।
আরো পড়ুন , প্রবাসীদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করল সৌদি আরব
কর্মকর্তারা বলছেন, ইসলামাবাদের শান্তি বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে একটি ‘ভ্রান্ত ধারণা’ তৈরি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনা গাজায় পাঠানো হবে না এবং হামাসকে অস্ত্রহীন করার কোনো উদ্যোগেরও অংশ হবে না।
ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত আইএসএফ–এ সেনা পাাঠানো নিয়ে এক সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘পাকিস্তানি সেনা হামাস বা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হবে না। সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের ক্ষেত্রে এবং পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া সম্ভব নয়।’
বিষয় : ফিলিস্তিন পাকিস্তান সেনা মোতায়েন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত ইন্টারন্যাশনাল স্টাবিলাইজেশন ফোর্সে (আইএসএফ) পাকিস্তান সেনা পাঠাবে কি না, তা চূড়ান্তভাবে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ও পার্লামেন্টই নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত ‘বোর্ড অব পিসে’ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে পাকিস্তান। সুইজারল্যান্ডে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম চলাকালে ট্রাম্পের সামনেই সেখানে ২০টি দেশ স্বাক্ষর করে। পাকিস্তানও ওই দলে ছিল।
তবে বোর্ড অব পিসে পাকিস্তানের স্বাক্ষর করা নিয়ে বিরোধী দলগুলো সমালোচনা ও আপত্তি জানিয়েছে। তারা সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সংস্থায় যোগ দেওয়ার ফলে সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে। যা ভালোর চেয়ে খারাপই বেশি হবে।
আরো পড়ুন , প্রবাসীদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করল সৌদি আরব
কর্মকর্তারা বলছেন, ইসলামাবাদের শান্তি বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে একটি ‘ভ্রান্ত ধারণা’ তৈরি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনা গাজায় পাঠানো হবে না এবং হামাসকে অস্ত্রহীন করার কোনো উদ্যোগেরও অংশ হবে না।
ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত আইএসএফ–এ সেনা পাাঠানো নিয়ে এক সিনিয়র নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘পাকিস্তানি সেনা হামাস বা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হবে না। সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের ক্ষেত্রে এবং পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া সম্ভব নয়।’

আপনার মতামত লিখুন