তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘর্ষে আহত হয়ে শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে তারা ফার্মগেইটে কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। দুপুর পৌনে ১টায় তেজগাঁও থানার ওসি কৈশন্যু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করছেন না। তারা তাদের ক্যাম্পাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। "আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সড়ক অবরোধ করবেন না বলে আমাদের বলেছেন। তারা নিজেদের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।"
আন্দোলনরতদের একজন ফারহান আহমেদ বলেন, “গত ৬ ডিসেম্বর আমাদের সহপাঠী সাকিবুল রানাকে ছাত্রাবাসে ঢুকে ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে কিছু বহিরাগত নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। আমাদের বন্ধু ৬ থেকে ১০ ডিসেম্বর আইসিইউতে ভর্তি ছিল। ১০ ডিসেম্বর সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। আমরা কলেজ প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টায় আমরা তেমন কোন অগ্রগতি দেখতে পাইনি। তারা একজনকে আটক করেছে এবং আটক করে তারা বসে আছে।
আরও পড়ুন, শহরের ৬০ ফিট সংযোগ সড়ক আজ বিকেলে উদ্বোধন
"আমরা চাই পুলিশ প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনুক এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। যতদিন পর্যন্ত না আমরা আমাদের বন্ধুর জন্য ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারতেছি ততদিন আমরা আন্দোলন থামাবো না।"
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসীর মাহমুদ দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সাকিবুল হাসান রানার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। তারা সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। "শিক্ষার্থীরা যখন সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন তখন কলেজ ক্যাম্পাসের আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘর্ষে আহত হয়ে শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে তারা ফার্মগেইটে কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। দুপুর পৌনে ১টায় তেজগাঁও থানার ওসি কৈশন্যু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করছেন না। তারা তাদের ক্যাম্পাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। "আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সড়ক অবরোধ করবেন না বলে আমাদের বলেছেন। তারা নিজেদের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।"
আন্দোলনরতদের একজন ফারহান আহমেদ বলেন, “গত ৬ ডিসেম্বর আমাদের সহপাঠী সাকিবুল রানাকে ছাত্রাবাসে ঢুকে ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে কিছু বহিরাগত নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। আমাদের বন্ধু ৬ থেকে ১০ ডিসেম্বর আইসিইউতে ভর্তি ছিল। ১০ ডিসেম্বর সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। আমরা কলেজ প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টায় আমরা তেমন কোন অগ্রগতি দেখতে পাইনি। তারা একজনকে আটক করেছে এবং আটক করে তারা বসে আছে।
আরও পড়ুন, শহরের ৬০ ফিট সংযোগ সড়ক আজ বিকেলে উদ্বোধন
"আমরা চাই পুলিশ প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনুক এবং তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। যতদিন পর্যন্ত না আমরা আমাদের বন্ধুর জন্য ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারতেছি ততদিন আমরা আন্দোলন থামাবো না।"
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসীর মাহমুদ দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সাকিবুল হাসান রানার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। তারা সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। "শিক্ষার্থীরা যখন সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন তখন কলেজ ক্যাম্পাসের আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল।"

আপনার মতামত লিখুন