সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবার সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন। শেষ মেয়াদে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র থাকাকালে ও পরবর্তী ২ বছরে বিপুল সম্পদ বেড়েছে তাঁর। একই সঙ্গে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তাঁর স্ত্রী সামা হক চৌধুরীও। সেই সঙ্গে বেড়েছে ঋণের পরিমাণ ও মামলার সংখ্যাও।
২০১৮ সালের সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের হলফনামার সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিবছর তো সম্পদের ভ্যালু সেইম থাকে না। ২০১৮ সালের ভ্যালু তো এখন নাই, এটার মূল্য বেড়েছে। একইভাবে ঋণের পরিমাণও বেড়েছে। মূলত জায়গার মাল জায়গায় রয়েছে, শুধু ভ্যালু বেড়েছে। আর সবকিছু ইনকাম ট্যাক্সে সঠিকভাবে দেওয়া আছে।’
৭ বছরের ব্যবধানে আরিফ-সামা দম্পতির বার্ষিক আয় ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরিফের চেয়ে বেশি নগদ অর্থ আছে সামা হক চৌধুরীর। মূলত ব্যবসা ও বিভিন্ন বিনিয়োগ খাত থেকে তাঁদের এই সম্পদ অর্জিত হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্য তাঁদের এই বিত্তবৈভবে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও উপার্জন রয়েছে।হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে আরিফুল হক চৌধুরীর বাৎসরিক আয় ছিল ৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে এসে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৬ টাকায়। অর্থাৎ আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন, বরিশাল নগরীর সফিমিয়া গ্যারেজ এলাকায় মাদরাসা পুড়ে ছাই
২০১৮ সালের হলফনামায় আরিফুল হক চৌধুরীর স্ত্রী সামা হক চৌধুরীর আয় ছিল ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৩০০ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৯ টাকায়। আরিফের স্ত্রীর আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবসার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালের সিলেট সিটি নির্বাচনে দেওয়া হলফনামায় আরিফুল হক চৌধুরী স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছিলেন প্রায় ৩ কোটি টাকা।
আরিফুল হক চৌধুরীর নামে ২ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার ২৬৫ এবং তাঁর স্ত্রীর নামে ৯৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪০১ টাকা ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। ২০১৮ সালের হলফনামায় পূবালী ব্যাংকে ৭৭ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ ও সিটি ব্যাংকে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩ টাকা দেনা থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরী মোট ১০টি ফৌজদারি মামলার আসামি হন। এর মধ্যে ৬টি বিচারাধীন। আর ৩টির কার্যক্রম স্থগিত ও একটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবার সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন। শেষ মেয়াদে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র থাকাকালে ও পরবর্তী ২ বছরে বিপুল সম্পদ বেড়েছে তাঁর। একই সঙ্গে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তাঁর স্ত্রী সামা হক চৌধুরীও। সেই সঙ্গে বেড়েছে ঋণের পরিমাণ ও মামলার সংখ্যাও।
২০১৮ সালের সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের হলফনামার সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিবছর তো সম্পদের ভ্যালু সেইম থাকে না। ২০১৮ সালের ভ্যালু তো এখন নাই, এটার মূল্য বেড়েছে। একইভাবে ঋণের পরিমাণও বেড়েছে। মূলত জায়গার মাল জায়গায় রয়েছে, শুধু ভ্যালু বেড়েছে। আর সবকিছু ইনকাম ট্যাক্সে সঠিকভাবে দেওয়া আছে।’
৭ বছরের ব্যবধানে আরিফ-সামা দম্পতির বার্ষিক আয় ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরিফের চেয়ে বেশি নগদ অর্থ আছে সামা হক চৌধুরীর। মূলত ব্যবসা ও বিভিন্ন বিনিয়োগ খাত থেকে তাঁদের এই সম্পদ অর্জিত হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্য তাঁদের এই বিত্তবৈভবে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও উপার্জন রয়েছে।হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে আরিফুল হক চৌধুরীর বাৎসরিক আয় ছিল ৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে এসে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ২৩৬ টাকায়। অর্থাৎ আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন, বরিশাল নগরীর সফিমিয়া গ্যারেজ এলাকায় মাদরাসা পুড়ে ছাই
২০১৮ সালের হলফনামায় আরিফুল হক চৌধুরীর স্ত্রী সামা হক চৌধুরীর আয় ছিল ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৩০০ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৯ টাকায়। আরিফের স্ত্রীর আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবসার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালের সিলেট সিটি নির্বাচনে দেওয়া হলফনামায় আরিফুল হক চৌধুরী স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছিলেন প্রায় ৩ কোটি টাকা।
আরিফুল হক চৌধুরীর নামে ২ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার ২৬৫ এবং তাঁর স্ত্রীর নামে ৯৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪০১ টাকা ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। ২০১৮ সালের হলফনামায় পূবালী ব্যাংকে ৭৭ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ ও সিটি ব্যাংকে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ৫৩ টাকা দেনা থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরী মোট ১০টি ফৌজদারি মামলার আসামি হন। এর মধ্যে ৬টি বিচারাধীন। আর ৩টির কার্যক্রম স্থগিত ও একটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন