দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থ দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব

জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থ দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব
জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থ দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব

দীর্ঘদিন পর নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় ‘জুনিয়র বৃত্তি’র সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতার হার ও এককালীন অনুদান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মাউশি।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবের একটি সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো সংক্রান্ত সম্ভাব্য বাজেট প্রস্তাব পর্যালোচনা করে তা অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক-১ অনুবিভাগ) সাইদুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মাউশি থেকে বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি ও অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আমরা পর্যালোচনা করছি। প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন হলে তা বাজেট বরাদ্দের জন্য অর্থ বিভাগের অনুমোদন নেওয়া হবে। এই ধরনের একটি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

দ্বিগুণ হচ্ছে অর্থের পরিমাণ

খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৫৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১২০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে একজন শিক্ষার্থী প্রতি বছর মোট ১১ হাজার ৯২০ টাকা পাবে, যা বর্তমানে ৫,৯৬০ টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে, সাধারণ কোটায় মাসিক ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৬০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ৩৫০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, চবির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

এতে একজন শিক্ষার্থীর বার্ষিক সুবিধা ৩,৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭,৯০০ টাকা হবে। এই সুবিধা এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত ২ বছর ভোগ করা যাবে।খসড়ায় বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির পেছনে সরকারে দুই বছরে ব্যয় হয় ৪২ কোটি ৪০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। প্রস্তাবিত নতুন হার কার্যকর হলে দুই বছরে সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১০১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থ্যাৎ আগের তুলনায় সরকারের অতিরিক্ত ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা বাড়তি প্রয়োজন হবে।

বিষয় : বৃত্তি মাউশি দ্বিগুণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থ দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

দীর্ঘদিন পর নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় ‘জুনিয়র বৃত্তি’র সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতার হার ও এককালীন অনুদান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মাউশি।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবের একটি সারসংক্ষেপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। জুনিয়র বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো সংক্রান্ত সম্ভাব্য বাজেট প্রস্তাব পর্যালোচনা করে তা অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক-১ অনুবিভাগ) সাইদুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, মাউশি থেকে বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি ও অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আমরা পর্যালোচনা করছি। প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন হলে তা বাজেট বরাদ্দের জন্য অর্থ বিভাগের অনুমোদন নেওয়া হবে। এই ধরনের একটি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

দ্বিগুণ হচ্ছে অর্থের পরিমাণ

খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৫৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১২০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে একজন শিক্ষার্থী প্রতি বছর মোট ১১ হাজার ৯২০ টাকা পাবে, যা বর্তমানে ৫,৯৬০ টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে, সাধারণ কোটায় মাসিক ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৬০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন ৩৫০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, চবির ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

এতে একজন শিক্ষার্থীর বার্ষিক সুবিধা ৩,৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭,৯০০ টাকা হবে। এই সুবিধা এসএসসি পরীক্ষার আগ পর্যন্ত ২ বছর ভোগ করা যাবে।খসড়ায় বাজেট প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির পেছনে সরকারে দুই বছরে ব্যয় হয় ৪২ কোটি ৪০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। প্রস্তাবিত নতুন হার কার্যকর হলে দুই বছরে সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১০১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থ্যাৎ আগের তুলনায় সরকারের অতিরিক্ত ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা বাড়তি প্রয়োজন হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত