দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড: পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে,কফিন ধরে স্বজনদের আহাজারি

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড: পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে,কফিন ধরে স্বজনদের আহাজারি
পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে,কফিন ধরে স্বজনদের আহাজারি

কলকাতার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। কফিন ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।শনিবার বিকেলে ভারতের কলকাতা থেকে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।নিহত পাঁচজন হলেন—সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছর বয়সী ছেলে শর্ণশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম হোসেন এবং ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু।এদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। 

আরও  পড়ুন, রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

পরিবারের সম্মতিতে আরেক বাংলাদেশি নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।মরদেহ হস্তান্তরের সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান জানান, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন এবং ঢাকার সাভারের একজন ছিলেন।গত ১৮ আগস্ট রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়।মর্মান্তিক এ ঘটনায় একসঙ্গে একই পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ কুষ্টিয়ার পরিবারটি। দেশে মরদেহ ফেরার পর স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে বেনাপোল চেকপোস্টে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিবেশ।

বিষয় : অগ্নিকাণ্ড পাঁচ বাংলাদেশি মরদেহ দেশে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ড: পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে,কফিন ধরে স্বজনদের আহাজারি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কলকাতার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। কফিন ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।শনিবার বিকেলে ভারতের কলকাতা থেকে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।নিহত পাঁচজন হলেন—সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছর বয়সী ছেলে শর্ণশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম হোসেন এবং ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু।এদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। 

আরও  পড়ুন, রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

পরিবারের সম্মতিতে আরেক বাংলাদেশি নিহত রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।মরদেহ হস্তান্তরের সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান জানান, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন এবং ঢাকার সাভারের একজন ছিলেন।গত ১৮ আগস্ট রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়।মর্মান্তিক এ ঘটনায় একসঙ্গে একই পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ কুষ্টিয়ার পরিবারটি। দেশে মরদেহ ফেরার পর স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে বেনাপোল চেকপোস্টে সৃষ্টি হয় হৃদয়বিদারক পরিবেশ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত