দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর দলীয় সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা, তখন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের চেয়ারপারসন কারাগারে এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।টানা প্রায় ১৫ বছর নানা রাজনৈতিক সংকট ও আন্দোলনে দলের হয়ে কথা বলেছেন রিজভী। এ কারণে তার নতুন দায়িত্বে খুশি নিজ জেলা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও।রাজনীতিতে রিজভীর হাতেখড়ি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন. বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খান
পরে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।চলতি আগস্টে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয় তাকে। এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০ আগস্ট দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন রুহুল কবির রিজভী।দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, রাজপথের আন্দোলন এবং দলের কঠিন সময়ে সক্রিয় ভূমিকার পর এবার বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রিজভী।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর দলীয় সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা, তখন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের চেয়ারপারসন কারাগারে এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।টানা প্রায় ১৫ বছর নানা রাজনৈতিক সংকট ও আন্দোলনে দলের হয়ে কথা বলেছেন রিজভী। এ কারণে তার নতুন দায়িত্বে খুশি নিজ জেলা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও।রাজনীতিতে রিজভীর হাতেখড়ি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন. বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খান
পরে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।চলতি আগস্টে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয় তাকে। এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০ আগস্ট দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন রুহুল কবির রিজভী।দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, রাজপথের আন্দোলন এবং দলের কঠিন সময়ে সক্রিয় ভূমিকার পর এবার বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রিজভী।

আপনার মতামত লিখুন