রাজপথের আন্দোলন, দলীয় সংকট আর রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনে দীর্ঘদিন বিএনপির অন্যতম দৃশ্যমান মুখ ছিলেন রুহুল কবির রিজভী। এবার দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেলেন তিনি।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিল, তখন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের কর্মসূচি, আন্দোলন কিংবা সংকট—প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের সামনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর বিএনপির হয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা এই নেতার নতুন দায়িত্বে খুশি তার নিজ এলাকা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।রুহুল কবির রিজভীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ছাত্রজীবনে। উচ্চ মাধ্যমিকের পর বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থেকে সাধারণ সম্পাদক এবং পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন রিজভী।
আরও পড়ুন, নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ
১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে সহসভাপতি বা ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।পরবর্তীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।এরপর ১৫ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন রিজভী। আর এবার ২০ আগস্ট তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হলো।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে রিজভীর সামনে এখন দলকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার বড় দায়িত্ব।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
রাজপথের আন্দোলন, দলীয় সংকট আর রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনে দীর্ঘদিন বিএনপির অন্যতম দৃশ্যমান মুখ ছিলেন রুহুল কবির রিজভী। এবার দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেলেন তিনি।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিল, তখন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের কর্মসূচি, আন্দোলন কিংবা সংকট—প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের সামনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর বিএনপির হয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা এই নেতার নতুন দায়িত্বে খুশি তার নিজ এলাকা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।রুহুল কবির রিজভীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ছাত্রজীবনে। উচ্চ মাধ্যমিকের পর বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থেকে সাধারণ সম্পাদক এবং পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন রিজভী।
আরও পড়ুন, নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ
১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে সহসভাপতি বা ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।পরবর্তীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।এরপর ১৫ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন রিজভী। আর এবার ২০ আগস্ট তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হলো।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে রিজভীর সামনে এখন দলকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার বড় দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন