ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কোথাও কোনো যানজট নেই। তবে মহাসড়কে গণপরিবহণের সংকট দেখা দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে খোলা ট্রাক ও পিকআপে বাড়ি ফিরছেন। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ জানায়, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপারে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। সরেজমিনে মহাসড়কের নগরজালফৈ বাইপাস, রাবনা বাইপাস ও এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কেউ আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ধরে গণপরিবহণের জন্য অপেক্ষা করছেন। ভ্যাপসা গরম ও ধুলাবালিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষদের।আরো পড়ুন , তিতাসের কড়িকান্দি ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণে হট্টগোলপাবনাগামী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি টাঙ্গাইলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। প্রায় এক ঘণ্টা হয়ে গেল কোনো বাস পাইনি। এছাড়াও ধুলাবালিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।সিরাজগঞ্জের রুমা বেগম বলেন, স্বাভাবিক সময়ে টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জের ভাড়া সর্বোচ্চ একশ টাকা। আজকে ভাড়া চাচ্ছে ৩০০ টাকা। এছাড়াও ভ্যাপসা গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।বগুড়ার মাদ্রাসার ছাত্র মো. হুমায়রা বলেন, বাসের তো সিট ফাকা নেই। বাসের ভেতরে তিল ধারণের মতো জায়গা নেই। এছাড়াও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খোলা ট্রাক ও পিকআপে ঘরমুখো মানুষে ভরপুর।