বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এলাকায় পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় কংগ্রেস, নাস্তিক মঞ্চ এবং বিজেপি।
দুপুরে জাতীয় কংগ্রেস একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা পার্ক সার্কাস এলাকার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে গেলে পুলিশ মিছিল আটকিয়ে বেকবাগানের মুখে থামায়। সেখানে কংগ্রেসের মিছিলকারীরা স্লোগান দেয় এবং প্রতিবাদ জানায়। পরে কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপহাইকমিশনে গিয়ে অভিযোগ পেশ করে। প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস নেতা তারক পাল, মানস সরকার, কৃষ্ণা দেবনাথ, তপন আগরওয়াল ও আজমল খান। এর আগে নাস্তিক মঞ্চের দুই সদস্যও উপহাইকমিশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাধন বিশ্বাস ও তপন দত্ত।
আরও পড়ুন, থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সংঘাত নিরসনে কুয়ালালামপুরে আসিয়ানের বিশেষ বৈঠক
বিকেলে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নিজাম প্যালেস থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে গেলে পুলিশ তাদেরও বেকবাগান মোড়ে আটকায়। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তীব্র ভাষায় বলেন, ‘বাংলাদেশের হিন্দুরা আমাদের আত্মীয়। তাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন আমরা মেনে নেব না। ময়মনসিংহের শ্রমিক দীপু দাসকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে বেঁধে দাহ করা আমরা মেনে নেব না। এভাবে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চললে আমরা প্রতিবাদ করতে বাধ্য হব। প্রয়োজনে বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বিক সম্পর্ক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করতে আমরা বাধ্য হব।’
শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, আগামী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আবার কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এলাকায় তারা বিক্ষোভ করবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এলাকায় পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় কংগ্রেস, নাস্তিক মঞ্চ এবং বিজেপি।
দুপুরে জাতীয় কংগ্রেস একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। একপর্যায়ে মিছিলকারীরা পার্ক সার্কাস এলাকার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে গেলে পুলিশ মিছিল আটকিয়ে বেকবাগানের মুখে থামায়। সেখানে কংগ্রেসের মিছিলকারীরা স্লোগান দেয় এবং প্রতিবাদ জানায়। পরে কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপহাইকমিশনে গিয়ে অভিযোগ পেশ করে। প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেস নেতা তারক পাল, মানস সরকার, কৃষ্ণা দেবনাথ, তপন আগরওয়াল ও আজমল খান। এর আগে নাস্তিক মঞ্চের দুই সদস্যও উপহাইকমিশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাধন বিশ্বাস ও তপন দত্ত।
আরও পড়ুন, থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সংঘাত নিরসনে কুয়ালালামপুরে আসিয়ানের বিশেষ বৈঠক
বিকেলে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নিজাম প্যালেস থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে গেলে পুলিশ তাদেরও বেকবাগান মোড়ে আটকায়। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তীব্র ভাষায় বলেন, ‘বাংলাদেশের হিন্দুরা আমাদের আত্মীয়। তাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন আমরা মেনে নেব না। ময়মনসিংহের শ্রমিক দীপু দাসকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে বেঁধে দাহ করা আমরা মেনে নেব না। এভাবে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চললে আমরা প্রতিবাদ করতে বাধ্য হব। প্রয়োজনে বাংলাদেশের সঙ্গে সার্বিক সম্পর্ক এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করতে আমরা বাধ্য হব।’
শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, আগামী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আবার কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এলাকায় তারা বিক্ষোভ করবে।

আপনার মতামত লিখুন