চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নানা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা।শনিবার রাতে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি ও শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের যে প্রত্যাশা ছিল, তার কোনোটিই পূরণ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নিজেদের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে যারা, তারাই সবচেয়ে বড় ‘গুপ্ত’।সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান সরকার একা করতে না পারলে তা জনগণের কাছে স্বীকার করে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।তিনি অভিযোগ করেন, সংসদ কার্যকর না হওয়ায় আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। একই সঙ্গে পতিত স্বৈরাচার যাতে দেশে ফিরে আসতে না
আরও পড়ুন, ‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান
পারে এবং নতুন করে কোনো স্বৈরাচার তৈরি না হয়—সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জনগণের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন এক দফায় রূপ নিতে পারে।অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।শনিবার দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা লালদীঘি ময়দানে জড়ো হন। কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।সমাবেশ ঘিরে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লংমার্চটি শনিবার সকালে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
বিষয় : হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় জোট লংমার্চ

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নানা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা।শনিবার রাতে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি ও শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের যে প্রত্যাশা ছিল, তার কোনোটিই পূরণ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নিজেদের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে যারা, তারাই সবচেয়ে বড় ‘গুপ্ত’।সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান সরকার একা করতে না পারলে তা জনগণের কাছে স্বীকার করে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।তিনি অভিযোগ করেন, সংসদ কার্যকর না হওয়ায় আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। একই সঙ্গে পতিত স্বৈরাচার যাতে দেশে ফিরে আসতে না
আরও পড়ুন, ‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান
পারে এবং নতুন করে কোনো স্বৈরাচার তৈরি না হয়—সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জনগণের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন এক দফায় রূপ নিতে পারে।অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।শনিবার দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা লালদীঘি ময়দানে জড়ো হন। কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।সমাবেশ ঘিরে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লংমার্চটি শনিবার সকালে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

আপনার মতামত লিখুন