কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুক্তভোগী মাজলুম পরিবার’-একুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম—এই চারজন ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। পরে বিনিয়োগের টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
আরও পড়ুন, বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতার
দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরতের চেষ্টা করেও প্রতিকার না পাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।তারা জানান, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অর্থ ফেরতের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীদের ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান তারা।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজালাল সবুজ দাবি করেন, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলাম রাজারহাটের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসার জন্য যৌথ চুক্তি হলেও ওই চুক্তির মাধ্যমে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিষয় : জামায়াত অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মী

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুক্তভোগী মাজলুম পরিবার’-একুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম—এই চারজন ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। পরে বিনিয়োগের টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
আরও পড়ুন, বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতার
দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরতের চেষ্টা করেও প্রতিকার না পাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।তারা জানান, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অর্থ ফেরতের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীদের ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান তারা।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজালাল সবুজ দাবি করেন, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলাম রাজারহাটের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসার জন্য যৌথ চুক্তি হলেও ওই চুক্তির মাধ্যমে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন