নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার দেওয়া এক শোকবার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪০০ মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক পানির স্রোতে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বহুতল ভবন,
আরও পড়ুন, পুলিশের ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
যানবাহন ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার ভয়াবহ দৃশ্যও সামনে এসেছে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীর পানি তুষারধসে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপে আটকে যায়। পরে বিপুল পানি ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত ভোতেকোশি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত না থাকায় অনেক বাসিন্দা আগাম সতর্কতাও পাননি।বন্যায় অন্তত ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা, ১৯টি সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাও চিকিৎসা সরঞ্জাম, তাবু ও ত্রাণসামগ্রী নিয়ে উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে।
বিষয় : রাষ্ট্রপতি শোক বন্যা-ভূমিধস

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার দেওয়া এক শোকবার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৪০০ মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক পানির স্রোতে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বহুতল ভবন,
আরও পড়ুন, পুলিশের ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
যানবাহন ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার ভয়াবহ দৃশ্যও সামনে এসেছে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীর পানি তুষারধসে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপে আটকে যায়। পরে বিপুল পানি ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত ভোতেকোশি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত না থাকায় অনেক বাসিন্দা আগাম সতর্কতাও পাননি।বন্যায় অন্তত ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা, ১৯টি সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দুর্যোগ মোকাবিলায় ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাও চিকিৎসা সরঞ্জাম, তাবু ও ত্রাণসামগ্রী নিয়ে উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন