মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদর ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে—সাবেক পিজি হাসপাতালে—নিভে যায় বাংলা সাহিত্যের এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ।বিদ্রোহী কবির প্রয়াণ দিবস ঘিরে নজরুল ইনস্টিটিউট, নজরুল একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশবে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেও থেমে থাকেননি তিনি। মাত্র ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবনে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে রেখে গেছেন অসামান্য অবদান।
আরও পড়ুন, বাবুবাজার-বাদামতলীতে দখলমুক্ত অভিযান, ২১ মামলা
কবিতা, গান, গজল, হামদ, নাথ, নাটক ও শ্যামাসংগীত—সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় ছিল তার স্বতন্ত্র পদচারণা। তার সৃষ্টিতে ফুটে উঠেছে সাম্য, মানবতা, স্বাধীনতা ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সপরিবারে কবি নজরুলকে বাংলাদেশে আনা হয়। দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও একুশে পদক লাভ করেন।মৃত্যুর ৫০ বছর পরও নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির চেতনায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তার সৃষ্টিই আজও মানুষকে অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা দেয়।এদিকে মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে দুদিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অন্যদিকে নজরুল একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি।
বিষয় : মৃত্যুবার্ষিকী জাতীয় কবি অসাম্প্রদায়িক

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদর ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে—সাবেক পিজি হাসপাতালে—নিভে যায় বাংলা সাহিত্যের এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ।বিদ্রোহী কবির প্রয়াণ দিবস ঘিরে নজরুল ইনস্টিটিউট, নজরুল একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন কাজী নজরুল ইসলাম। শৈশবে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেও থেমে থাকেননি তিনি। মাত্র ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবনে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে রেখে গেছেন অসামান্য অবদান।
আরও পড়ুন, বাবুবাজার-বাদামতলীতে দখলমুক্ত অভিযান, ২১ মামলা
কবিতা, গান, গজল, হামদ, নাথ, নাটক ও শ্যামাসংগীত—সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি শাখায় ছিল তার স্বতন্ত্র পদচারণা। তার সৃষ্টিতে ফুটে উঠেছে সাম্য, মানবতা, স্বাধীনতা ও শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সপরিবারে কবি নজরুলকে বাংলাদেশে আনা হয়। দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও একুশে পদক লাভ করেন।মৃত্যুর ৫০ বছর পরও নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির চেতনায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তার সৃষ্টিই আজও মানুষকে অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা দেয়।এদিকে মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে দুদিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অন্যদিকে নজরুল একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি।

আপনার মতামত লিখুন