শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং বাস্তববাদী নেতৃত্ব জাতির মণিকোঠায় চিরজাগরূক থাকবে।আরও পড়ুন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজারে তারেক রহমানের শ্রদ্ধারাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, গভীর দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপতি আরও স্মরণ করেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি শহীদ হন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল।আরও পড়ুন, জাতিসংঘের নিহতের সংখ্যা ‘ভুল’, ওএইচসিএইচআরকে শেখ হাসিনার চিঠিবাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।আরও পড়ুন, জিয়ার শাহাদতবার্ষিকীতে দুস্থদের খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমানরাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি আত্মনির্ভর ও উৎপাদনমুখী বাংলাদেশের রূপরেখা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও তাঁর অবদান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আরও বলেন, স্বল্প সময়ের রাষ্ট্র পরিচালনাতেই জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা ও দূরদর্শিতা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।