রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশে অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে জাতিসংঘ। তবে এ প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি বাংলাদেশ সরকারপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের এক ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।তবে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এ ধরনের প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া সম্ভব নয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে।তিনি বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি এই অবস্থান স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করছে।
আরও পড়ুন, মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সঙ্গে ডা. জুবাইদা ও ৮ মন্ত্রী-উপদেষ্টা
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ বরাবরই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ বরাবরই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে।
বিষয় : জাতিসংঘ রোহিঙ্গা জমি বরাদ্দ

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশে অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে জাতিসংঘ। তবে এ প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি বাংলাদেশ সরকারপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের এক ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।তবে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এ ধরনের প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া সম্ভব নয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে।তিনি বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি এই অবস্থান স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করছে।
আরও পড়ুন, মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সঙ্গে ডা. জুবাইদা ও ৮ মন্ত্রী-উপদেষ্টা
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ বরাবরই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ বরাবরই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন