বরিশালে দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের দুই সন্দেহভাজন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে রামদা, ডেগার, ছোড়া ও চাইনিজ কুড়ালসহ ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।শনিবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলার চর্বারিয়া ইউনিয়নের সাপানিয়া এলাকায় একটি ঘেরে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়।আটকরা হলেন মো. মেহেদী হাসান ও মো. আব্দুর রহমান।পুলিশ জানায়, বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর সাপানিয়া এলাকার একটি ঘেরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, সন্দেহভাজন পিকআপ থামাতে গিয়ে এসআইকে রামদার কোপ, দুইজন কারাগারে
এ সময় সেখান থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় দুইজনকে আটক করা সম্ভব হলেও মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে যান।কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনজিৎ নাথ জানান, পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর উৎস এবং এগুলো কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : আটক কিশোর গ্যাং দেশীয় অস্ত্র

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
বরিশালে দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের দুই সন্দেহভাজন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে রামদা, ডেগার, ছোড়া ও চাইনিজ কুড়ালসহ ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।শনিবার রাতে বরিশাল সদর উপজেলার চর্বারিয়া ইউনিয়নের সাপানিয়া এলাকায় একটি ঘেরে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়।আটকরা হলেন মো. মেহেদী হাসান ও মো. আব্দুর রহমান।পুলিশ জানায়, বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর সাপানিয়া এলাকার একটি ঘেরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, সন্দেহভাজন পিকআপ থামাতে গিয়ে এসআইকে রামদার কোপ, দুইজন কারাগারে
এ সময় সেখান থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় দুইজনকে আটক করা সম্ভব হলেও মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে যান।কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনজিৎ নাথ জানান, পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর উৎস এবং এগুলো কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন