চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে গেছে।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাউজান থানার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির হেফাজত ও তার দেখানো স্থান থেকে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা: গঙ্গাচড়ায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত
অভিযানে এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. খোরশেদ আলম, এসআই মো. বায়েজিদ মৃধা, এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই মো. রবিউল হোসেনসহ মোট ১২ পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের দাবি, মো. জানে আলম ওরফে ‘ডাকাত আলম’ ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে ‘আজিজ বস’-এর নেতৃত্বে চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরীর বাড়িতে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দিলদার হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে গেছে।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাউজান থানার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির হেফাজত ও তার দেখানো স্থান থেকে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা: গঙ্গাচড়ায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত
অভিযানে এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. খোরশেদ আলম, এসআই মো. বায়েজিদ মৃধা, এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই মো. রবিউল হোসেনসহ মোট ১২ পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের দাবি, মো. জানে আলম ওরফে ‘ডাকাত আলম’ ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে ‘আজিজ বস’-এর নেতৃত্বে চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরীর বাড়িতে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দিলদার হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন