প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে বড় উত্থান। রবিবার লেনদেন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০০ পয়েন্টের বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০৪ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা প্রায় ১ দশমিক ৯০ শতাংশ। সূচকটি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬২৫ দশমিক ৩৪ পয়েন্টে। একই সঙ্গে ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৪৬
আরো পড়ুন , সুদহার ও শক্তিশালী ডলারের চাপে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী
দশমিক ৮৯ পয়েন্ট।শুধু সূচক নয়, লেনদেনেও ছিল গতি। রবিবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৫৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবস বৃহস্পতিবারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এদিন বাজার মূলধনও বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার যেখানে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি, সেখানে রবিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকায়।লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৪৬টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। কমেছে ৯৬টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ৫০টির দাম।বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট–পরবর্তী ইতিবাচক প্রত্যাশা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ইঙ্গিতেই বাজারে এ উত্থান দেখা গেছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দেখা গেছে বড় উত্থান। রবিবার লেনদেন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০০ পয়েন্টের বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০৪ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা প্রায় ১ দশমিক ৯০ শতাংশ। সূচকটি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬২৫ দশমিক ৩৪ পয়েন্টে। একই সঙ্গে ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৪৬
আরো পড়ুন , সুদহার ও শক্তিশালী ডলারের চাপে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী
দশমিক ৮৯ পয়েন্ট।শুধু সূচক নয়, লেনদেনেও ছিল গতি। রবিবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৫৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবস বৃহস্পতিবারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এদিন বাজার মূলধনও বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার যেখানে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি, সেখানে রবিবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকায়।লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৪৬টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। কমেছে ৯৬টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ৫০টির দাম।বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট–পরবর্তী ইতিবাচক প্রত্যাশা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ইঙ্গিতেই বাজারে এ উত্থান দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন