ইংলিশ ক্লাব চেলসির ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার এবং সাবেক রেকর্ড গোলদাতা ববি ট্যাম্বলিং আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তার মৃত্যুতে ফুটবল অঙ্গনে, বিশেষ করে চেলসি সমর্থকদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।১৯৫৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চেলসির জার্সিতে মাঠ মাতান ট্যাম্বলিং। এই সময়ে ৩৭০ ম্যাচে করেন ২০২ গোল—যা দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড হিসেবে অটুট ছিল।অবশেষে ২০১৩ সালে চেলসির আরেক কিংবদন্তি ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েন। তবে রেকর্ড হারানো নিয়েও ববি ট্যাম্বলিংয়ের ছিল হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া। তিনি মজা করে বলেছিলেন, ‘চলো ফ্র্যাঙ্ক, তাড়াতাড়ি করো।’চেলসির হয়ে শুধু গোলই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালেও নিজেকে প্রমাণ
আরো পড়ুন, নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফ ফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল
করেছিলেন ট্যাম্বলিং। ১৯৬৫ সালের ফুটবল লিগ কাপ ফাইনাল এবং ১৯৬৭ সালের এফএ কাপ ফাইনালে গোল করেছিলেন তিনি।মাত্র ১৭ বছর বয়সে চেলসির মূল দলে অভিষেক হওয়া এই স্ট্রাইকার ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি সুযোগ পাননি। মাত্র তিন ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। ফলে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলে জায়গা হয়নি তার।ক্যারিয়ারের শেষদিকে তিনি ক্রিস্টাল প্যালেস ও আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। অবসরের পর আয়ারল্যান্ডেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং স্থানীয় ফুটবলেও কোচ ও ম্যানেজার হিসেবে অবদান রাখেন।জীবনের শেষ সময়ে ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছিলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। তার মৃত্যুতে ফুটবল বিশ্ব হারালো এক উজ্জ্বল নাম।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ইংলিশ ক্লাব চেলসির ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার এবং সাবেক রেকর্ড গোলদাতা ববি ট্যাম্বলিং আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তার মৃত্যুতে ফুটবল অঙ্গনে, বিশেষ করে চেলসি সমর্থকদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।১৯৫৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চেলসির জার্সিতে মাঠ মাতান ট্যাম্বলিং। এই সময়ে ৩৭০ ম্যাচে করেন ২০২ গোল—যা দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড হিসেবে অটুট ছিল।অবশেষে ২০১৩ সালে চেলসির আরেক কিংবদন্তি ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েন। তবে রেকর্ড হারানো নিয়েও ববি ট্যাম্বলিংয়ের ছিল হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া। তিনি মজা করে বলেছিলেন, ‘চলো ফ্র্যাঙ্ক, তাড়াতাড়ি করো।’চেলসির হয়ে শুধু গোলই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালেও নিজেকে প্রমাণ
আরো পড়ুন, নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফ ফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল
করেছিলেন ট্যাম্বলিং। ১৯৬৫ সালের ফুটবল লিগ কাপ ফাইনাল এবং ১৯৬৭ সালের এফএ কাপ ফাইনালে গোল করেছিলেন তিনি।মাত্র ১৭ বছর বয়সে চেলসির মূল দলে অভিষেক হওয়া এই স্ট্রাইকার ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি সুযোগ পাননি। মাত্র তিন ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। ফলে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলে জায়গা হয়নি তার।ক্যারিয়ারের শেষদিকে তিনি ক্রিস্টাল প্যালেস ও আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। অবসরের পর আয়ারল্যান্ডেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং স্থানীয় ফুটবলেও কোচ ও ম্যানেজার হিসেবে অবদান রাখেন।জীবনের শেষ সময়ে ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছিলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। তার মৃত্যুতে ফুটবল বিশ্ব হারালো এক উজ্জ্বল নাম।

আপনার মতামত লিখুন