স্কটল্যান্ডে আবিষ্কৃত একটি রহস্যময় কৃত্রিম দ্বীপ ঘিরে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের নির্মাণ দক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রায় ৫ হাজার বছর আগে নির্মিত এই কাঠামো বিখ্যাত স্টোনহেঞ্জেরও আগের সময়ের।
আরও পড়ুন, হোয়াটসঅ্যাপে বড় নিরাপত্তা পরিবর্তন, আসছে পাসকি ও নিজস্ব ক্লাউড ব্যাকআপ
স্কটল্যান্ডের আউটার হেব্রিডস অঞ্চলের লুইস দ্বীপে অবস্থিত লখ ভোরগাস্তাইল হ্রদে এই কৃত্রিম দ্বীপের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা এটিকে প্রাচীন ‘ক্র্যানগ’ ধরনের দ্বীপ কাঠামো হিসেবে শনাক্ত করেছেন, যা সাধারণত পাথর, কাঠ ও ডালপালা দিয়ে হ্রদের মধ্যে তৈরি করা হতো।
আরও পড়ুন, মে মাসের রাতের আকাশে উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা
সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পানির নিচে অনুসন্ধান, খনন এবং আধুনিক চিত্র বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানটি পরীক্ষা করেন।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিসিবির ট্রাকসেল শুরু, কম দামে মিলবে তেল-চিনি-ডাল
গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বীপটি প্রায় ২৩ মিটার চওড়া একটি বিশাল কাঠের মঞ্চের ওপর নির্মিত। প্রথমে কাঠ ও ডালপালা দিয়ে ভিত্তি তৈরি করা হয়, এরপর তার ওপর পাথর বসানো হয়। কার্বন বিশ্লেষণে জানা গেছে, এটি খ্রিষ্টপূর্ব ৩৬৪০ থেকে ৩৩৬০ সালের মধ্যে নির্মিত, যা স্টোনহেঞ্জের আগের সময়।
আরও পড়ুন, নিজের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই ভেঙে যেতে পারে মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস
গবেষকরা দ্বীপের আশপাশে নবপ্রস্তর যুগের শত শত মাটির পাত্রের টুকরাও পেয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ধর্মীয় আচার, সামাজিক সমাবেশ বা ভোজের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বড় কাঠামো নির্মাণের জন্য সে সময় পরিকল্পিত শ্রম ও উন্নত প্রকৌশল জ্ঞান প্রয়োজন ছিল। ফলে প্রমাণ মিলছে, প্রাচীন সমাজ আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি সংগঠিত ও দক্ষ ছিল।
বিষয় : স্কটল্যান্ড পুরোনো দ্বীপ সন্ধান

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
স্কটল্যান্ডে আবিষ্কৃত একটি রহস্যময় কৃত্রিম দ্বীপ ঘিরে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের নির্মাণ দক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রায় ৫ হাজার বছর আগে নির্মিত এই কাঠামো বিখ্যাত স্টোনহেঞ্জেরও আগের সময়ের।
আরও পড়ুন, হোয়াটসঅ্যাপে বড় নিরাপত্তা পরিবর্তন, আসছে পাসকি ও নিজস্ব ক্লাউড ব্যাকআপ
স্কটল্যান্ডের আউটার হেব্রিডস অঞ্চলের লুইস দ্বীপে অবস্থিত লখ ভোরগাস্তাইল হ্রদে এই কৃত্রিম দ্বীপের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা এটিকে প্রাচীন ‘ক্র্যানগ’ ধরনের দ্বীপ কাঠামো হিসেবে শনাক্ত করেছেন, যা সাধারণত পাথর, কাঠ ও ডালপালা দিয়ে হ্রদের মধ্যে তৈরি করা হতো।
আরও পড়ুন, মে মাসের রাতের আকাশে উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা
সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় এবং রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পানির নিচে অনুসন্ধান, খনন এবং আধুনিক চিত্র বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানটি পরীক্ষা করেন।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিসিবির ট্রাকসেল শুরু, কম দামে মিলবে তেল-চিনি-ডাল
গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বীপটি প্রায় ২৩ মিটার চওড়া একটি বিশাল কাঠের মঞ্চের ওপর নির্মিত। প্রথমে কাঠ ও ডালপালা দিয়ে ভিত্তি তৈরি করা হয়, এরপর তার ওপর পাথর বসানো হয়। কার্বন বিশ্লেষণে জানা গেছে, এটি খ্রিষ্টপূর্ব ৩৬৪০ থেকে ৩৩৬০ সালের মধ্যে নির্মিত, যা স্টোনহেঞ্জের আগের সময়।
আরও পড়ুন, নিজের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই ভেঙে যেতে পারে মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস
গবেষকরা দ্বীপের আশপাশে নবপ্রস্তর যুগের শত শত মাটির পাত্রের টুকরাও পেয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ধর্মীয় আচার, সামাজিক সমাবেশ বা ভোজের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বড় কাঠামো নির্মাণের জন্য সে সময় পরিকল্পিত শ্রম ও উন্নত প্রকৌশল জ্ঞান প্রয়োজন ছিল। ফলে প্রমাণ মিলছে, প্রাচীন সমাজ আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি সংগঠিত ও দক্ষ ছিল।

আপনার মতামত লিখুন