মঙ্গলের সবচেয়ে কাছের উপগ্রহ Phobos বা ফোবোসকে নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের মহাকর্ষীয় টানে ভেঙে যাওয়ার আগেই নিজের ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ধীরে ধীরে ধ্বংস হতে পারে এই উপগ্রহটি।
আরও পড়ুন, হোয়াটসঅ্যাপে বড় নিরাপত্তা পরিবর্তন, আসছে পাসকি ও নিজস্ব ক্লাউড ব্যাকআপ
বিজ্ঞানীরা জানান, মঙ্গলের দুই উপগ্রহ ফোবোস ও Deimos ডেইমোসের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। কেউ মনে করেন এগুলো একসময় গ্রহাণু ছিল, যা পরে মঙ্গলের মহাকর্ষে আটকে যায়। আবার অনেক গবেষকের মতে, কোনো বিশাল সংঘর্ষের পর তৈরি হওয়া পদার্থ থেকেই এদের জন্ম। বর্তমানে ফোবোস খুব কাছ থেকে দ্রুতগতিতে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করছে। ফলে মঙ্গলের মহাকর্ষীয় টান ধীরে ধীরে এর কক্ষপথ সংকুচিত করছে।
আরও পড়ুন, মে মাসের রাতের আকাশে উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ফোবোস কোনো শক্ত পাথুরে বস্তু নয়। বরং এটি আলগাভাবে জোড়া লাগানো ধ্বংসস্তূপের মতো গঠিত। তাই সহজেই এর বিভিন্ন অংশ খসে পড়তে পারে। কম্পিউটার সিমুলেশন অনুযায়ী, প্রথমে মঙ্গলের দিকে থাকা অংশ এবং বিপরীত পাশ থেকে ধ্বংসাবশেষ আলাদা হতে শুরু করবে। পরে এসব অংশ মঙ্গলের চারপাশে ঘুরে আবার উচ্চগতিতে ফোবোসের গায়ে আঘাত হানতে পারে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিসিবির ট্রাকসেল শুরু, কম দামে মিলবে তেল-চিনি-ডাল
বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে “সেস্কুইনারি বিপর্যয়” নামে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ নিজের বিচ্ছিন্ন অংশের আঘাতেই শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ফোবোস। গবেষকদের মতে, এটি সৌরজগতের উপগ্রহগুলোর ভবিষ্যৎ ও গঠন নিয়ে নতুন ধারণা দিচ্ছে।
বিষয় : ধ্বংসাবশেষ ফোবোস মঙ্গলের উপগ্রহ

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মঙ্গলের সবচেয়ে কাছের উপগ্রহ Phobos বা ফোবোসকে নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের মহাকর্ষীয় টানে ভেঙে যাওয়ার আগেই নিজের ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ধীরে ধীরে ধ্বংস হতে পারে এই উপগ্রহটি।
আরও পড়ুন, হোয়াটসঅ্যাপে বড় নিরাপত্তা পরিবর্তন, আসছে পাসকি ও নিজস্ব ক্লাউড ব্যাকআপ
বিজ্ঞানীরা জানান, মঙ্গলের দুই উপগ্রহ ফোবোস ও Deimos ডেইমোসের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। কেউ মনে করেন এগুলো একসময় গ্রহাণু ছিল, যা পরে মঙ্গলের মহাকর্ষে আটকে যায়। আবার অনেক গবেষকের মতে, কোনো বিশাল সংঘর্ষের পর তৈরি হওয়া পদার্থ থেকেই এদের জন্ম। বর্তমানে ফোবোস খুব কাছ থেকে দ্রুতগতিতে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করছে। ফলে মঙ্গলের মহাকর্ষীয় টান ধীরে ধীরে এর কক্ষপথ সংকুচিত করছে।
আরও পড়ুন, মে মাসের রাতের আকাশে উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ফোবোস কোনো শক্ত পাথুরে বস্তু নয়। বরং এটি আলগাভাবে জোড়া লাগানো ধ্বংসস্তূপের মতো গঠিত। তাই সহজেই এর বিভিন্ন অংশ খসে পড়তে পারে। কম্পিউটার সিমুলেশন অনুযায়ী, প্রথমে মঙ্গলের দিকে থাকা অংশ এবং বিপরীত পাশ থেকে ধ্বংসাবশেষ আলাদা হতে শুরু করবে। পরে এসব অংশ মঙ্গলের চারপাশে ঘুরে আবার উচ্চগতিতে ফোবোসের গায়ে আঘাত হানতে পারে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে টিসিবির ট্রাকসেল শুরু, কম দামে মিলবে তেল-চিনি-ডাল
বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে “সেস্কুইনারি বিপর্যয়” নামে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ নিজের বিচ্ছিন্ন অংশের আঘাতেই শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ফোবোস। গবেষকদের মতে, এটি সৌরজগতের উপগ্রহগুলোর ভবিষ্যৎ ও গঠন নিয়ে নতুন ধারণা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন