পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার হলে উত্তরপত্র না দেখানোকে কেন্দ্র করে এক পরীক্ষার্থীকে ঘুষি মেরে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুর ১টার দিকে ভাণ্ডারিয়া বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে উত্তপ্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
আহত পরীক্ষার্থী মাহফুজ সাদী, তিনি উত্তর পূর্ব ভাণ্ডারিয়া গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী মো. সাকিব (১৭), একই গ্রামের মো. মিজানুর রহমানের ছেলে। দুজনই ভাণ্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, আবারও উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার সময় সাকিব বারবার মাহফুজকে উত্তরপত্র দেখানোর জন্য চাপ দেন। তবে মাহফুজ এতে অস্বীকৃতি জানালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরীক্ষা শেষের পর কেন্দ্রের ভেতরেই সাকিব মাহফুজের ওপর চড়াও হয়ে ডান চোখে ঘুষি মারে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। শিক্ষকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, রাজশাহী-নওগাঁয় আম সংগ্রহের সময়সূচি ঘোষণা
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ডান চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীর মা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, পরীক্ষার সময় থেকেই উত্তরপত্র দেখাতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, পরে পরীক্ষা শেষে হামলা চালানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব জানিয়েছেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় চলমান এসএসসি পরীক্ষার হলে উত্তরপত্র না দেখানোকে কেন্দ্র করে এক পরীক্ষার্থীকে ঘুষি মেরে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুর ১টার দিকে ভাণ্ডারিয়া বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে উত্তপ্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
আহত পরীক্ষার্থী মাহফুজ সাদী, তিনি উত্তর পূর্ব ভাণ্ডারিয়া গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী মো. সাকিব (১৭), একই গ্রামের মো. মিজানুর রহমানের ছেলে। দুজনই ভাণ্ডারিয়া বিহারী লাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন, আবারও উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার সময় সাকিব বারবার মাহফুজকে উত্তরপত্র দেখানোর জন্য চাপ দেন। তবে মাহফুজ এতে অস্বীকৃতি জানালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরীক্ষা শেষের পর কেন্দ্রের ভেতরেই সাকিব মাহফুজের ওপর চড়াও হয়ে ডান চোখে ঘুষি মারে বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। শিক্ষকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, রাজশাহী-নওগাঁয় আম সংগ্রহের সময়সূচি ঘোষণা
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ডান চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীর মা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, পরীক্ষার সময় থেকেই উত্তরপত্র দেখাতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, পরে পরীক্ষা শেষে হামলা চালানো হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব জানিয়েছেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন