দেশে নিত্যপণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে চরম চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। চাল, ডিম, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে এলপিজি গ্যাস—সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে খরচ। একই সঙ্গে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে দেশের মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসে বেড়েছে ০.৩৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন, দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা
ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, যা প্রকৃত আয় কমিয়ে দিচ্ছে। বাজারে দেখা গেছে, গত তিন মাসে কিছু সবজির দাম ১৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন, ‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন
ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয়ের কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে। ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার পর ট্রাকভাড়াও কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম আরও বাড়ছে।
আরও পড়ুন, আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
এদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, জ্বালানি, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কঠোর তদারকি ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন।
বিষয় : চাপ মূল্যস্ফীতি নিত্যপণ্য

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
দেশে নিত্যপণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে চরম চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। চাল, ডিম, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে এলপিজি গ্যাস—সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে খরচ। একই সঙ্গে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে দেশের মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসে বেড়েছে ০.৩৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন, দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা
ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, যা প্রকৃত আয় কমিয়ে দিচ্ছে। বাজারে দেখা গেছে, গত তিন মাসে কিছু সবজির দাম ১৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন, ‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন
ব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয়ের কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে। ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার পর ট্রাকভাড়াও কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম আরও বাড়ছে।
আরও পড়ুন, আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
এদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, জ্বালানি, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কঠোর তদারকি ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন।

আপনার মতামত লিখুন