দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো—বিবিএসের প্রকাশিত এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মার্চ মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ।সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতের মূল্যস্ফীতি। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে।বিবিএস জানায়, গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।
আর ও পড়ুন , বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারে
অন্যদিকে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব বাজারে সরাসরি পড়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকায় উন্নীত করে।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও সরবরাহ ব্যবস্থার খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সংকট তীব্র হতে পারে।
বিষয় : জনজীবন মূল্যস্ফীতি

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো—বিবিএসের প্রকাশিত এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মার্চ মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ।সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতের মূল্যস্ফীতি। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে।বিবিএস জানায়, গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।
আর ও পড়ুন , বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারে
অন্যদিকে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব বাজারে সরাসরি পড়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকায় উন্নীত করে।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও সরবরাহ ব্যবস্থার খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সংকট তীব্র হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন