কুমিল্লা নগরীতে ভাড়া বাসা থেকে জান্নাতুন নাঈম ফারিহা নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে রহস্য ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।রাতে নগরীর মনোহরপুর মুন্সেফবাড়ি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি ভবনের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফারিহা নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামের স্কুলশিক্ষক হানিফ মিয়ার মেয়ে এবং সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়। ছবিতে দেখা যায়, বিছানার ওপর চেয়ার রাখা অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিলেন ফারিহা। তার এক পা বিছানায় ও অন্য পায়ের হাঁটু চেয়ারে ঠেকে ছিল।
আরও পড়ুন , জিয়ার খাল খনন ছিল এক বিপ্লব, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফের শুরু: পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি
এমন দৃশ্য দেখে অনেকেই ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করছেন।নিহতের বাবা অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন তিনি।পুলিশ জানায়, প্রায় আট মাস আগে পারিবারিকভাবে ফারিহার বিয়ে হয় মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে। বেকারত্ব ও সংসার নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ ছিল বলেও জানা গেছে।ঘটনার পর থেকেই স্বামী আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিষয় : মরদেহ স্কুলছাত্রী হত্যা ঝুলন্ত

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
কুমিল্লা নগরীতে ভাড়া বাসা থেকে জান্নাতুন নাঈম ফারিহা নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে রহস্য ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।রাতে নগরীর মনোহরপুর মুন্সেফবাড়ি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামের একটি ভবনের কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফারিহা নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামের স্কুলশিক্ষক হানিফ মিয়ার মেয়ে এবং সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়। ছবিতে দেখা যায়, বিছানার ওপর চেয়ার রাখা অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিলেন ফারিহা। তার এক পা বিছানায় ও অন্য পায়ের হাঁটু চেয়ারে ঠেকে ছিল।
আরও পড়ুন , জিয়ার খাল খনন ছিল এক বিপ্লব, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফের শুরু: পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি
এমন দৃশ্য দেখে অনেকেই ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করছেন।নিহতের বাবা অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন তিনি।পুলিশ জানায়, প্রায় আট মাস আগে পারিবারিকভাবে ফারিহার বিয়ে হয় মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে। বেকারত্ব ও সংসার নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ ছিল বলেও জানা গেছে।ঘটনার পর থেকেই স্বামী আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন