কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরবরাহ করা সকালের নাস্তায় নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাউরুটি ও ডিমের সঙ্গে অপরিপক্ব (কাঁচা) কলা পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে হাসপাতালের চারতলার মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এর আগে সোমবার সকালে দেওয়া নাস্তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।হাসপাতালের হেপাটোলজি ইউনিটে চিকিৎসাধীন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী আছিয়া খাতুন (৬৫) বলেন, “সকালের নাস্তায় একটি পাউরুটি, একটি ডিম এবং একটি কাঁচা কলা দেওয়া হয়েছে। কলাটি খাওয়ার উপযোগী ছিল না। আমি অসুস্থ মানুষ, এমন খাবার কীভাবে খাব?” তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরেই প্রায় একই ধরনের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে।
তার মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন, “কখনো ডিম থাকে না, কখনো কলা থাকে না। আর কলা থাকলেও বেশিরভাগ সময় কাঁচা থাকে। আমার মা এসব খেতে পারেন না। শুধু আমার মা নয়, অনেক রোগীই ঠিকমতো খাবার পাচ্ছেন না।”রোগীর স্বজন মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশও সন্তোষজনক নয়। কোথাও আলো স্বল্পতা, কোথাও অন্ধকার, টয়লেটের অবস্থা নাজুক এবং পানির সংকট রয়েছে—যার কারণে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ছে।এ বিষয়ে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, রোগীদের খাবার সরবরাহ করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগের বিষয়টি জানা গেছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের মতে, একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের জন্য মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের অব্যবস্থাপনা দ্রুত সমাধান না হলে রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরবরাহ করা সকালের নাস্তায় নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাউরুটি ও ডিমের সঙ্গে অপরিপক্ব (কাঁচা) কলা পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে হাসপাতালের চারতলার মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এর আগে সোমবার সকালে দেওয়া নাস্তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।হাসপাতালের হেপাটোলজি ইউনিটে চিকিৎসাধীন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী আছিয়া খাতুন (৬৫) বলেন, “সকালের নাস্তায় একটি পাউরুটি, একটি ডিম এবং একটি কাঁচা কলা দেওয়া হয়েছে। কলাটি খাওয়ার উপযোগী ছিল না। আমি অসুস্থ মানুষ, এমন খাবার কীভাবে খাব?” তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরেই প্রায় একই ধরনের নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে।
তার মেয়ে জেসমিন আক্তার বলেন, “কখনো ডিম থাকে না, কখনো কলা থাকে না। আর কলা থাকলেও বেশিরভাগ সময় কাঁচা থাকে। আমার মা এসব খেতে পারেন না। শুধু আমার মা নয়, অনেক রোগীই ঠিকমতো খাবার পাচ্ছেন না।”রোগীর স্বজন মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশও সন্তোষজনক নয়। কোথাও আলো স্বল্পতা, কোথাও অন্ধকার, টয়লেটের অবস্থা নাজুক এবং পানির সংকট রয়েছে—যার কারণে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ছে।এ বিষয়ে হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, রোগীদের খাবার সরবরাহ করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগের বিষয়টি জানা গেছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের মতে, একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের জন্য মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের অব্যবস্থাপনা দ্রুত সমাধান না হলে রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন