বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের পথে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। নতুন করে চারটি কারখানা লিড সনদ অর্জন করায় দেশের মোট লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৪টিতে।এর মধ্যে ১২১টি কারখানা প্লাটিনাম এবং ১৪৪টি গোল্ড রেটিং অর্জন করেছে, যা বিশ্বব্যাপী সবুজ শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।নতুন সনদপ্রাপ্ত কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী টেক্সটাইলস লিমিটেড (ইউনিট-০২), গাজীপুরের ওয়েলডান অ্যাপারেল লিমিটেড, সাভারের আশুলিয়ার এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড এবং গাজীপুরের সিয়াম কম্পিউটারাইজড ইলাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (মামটেক্স)।
আরও পড়ুন ,টানা পতনের পর ঘুরে দাঁড়াল রপ্তানি আয়, এপ্রিলে ৩৩% প্রবৃদ্ধি
এদের মধ্যে কয়েকটি কারখানা ৮০-এর বেশি পয়েন্ট অর্জন করে প্লাটিনাম মান অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অত্যন্ত উচ্চমানের পরিবেশবান্ধব শিল্প নির্দেশ করে।বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, টেকসই শিল্পায়নের সূচকে বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক নেতৃত্বের দিকে এগোচ্ছে।তিনি বলেন, নতুন চারটি কারখানার সংযোজন এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করেছে। তবে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কেবল উৎপাদন নয়, পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থাপনায়ও বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের পথে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। নতুন করে চারটি কারখানা লিড সনদ অর্জন করায় দেশের মোট লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৪টিতে।এর মধ্যে ১২১টি কারখানা প্লাটিনাম এবং ১৪৪টি গোল্ড রেটিং অর্জন করেছে, যা বিশ্বব্যাপী সবুজ শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।নতুন সনদপ্রাপ্ত কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী টেক্সটাইলস লিমিটেড (ইউনিট-০২), গাজীপুরের ওয়েলডান অ্যাপারেল লিমিটেড, সাভারের আশুলিয়ার এভারব্রাইট সোয়েটার লিমিটেড এবং গাজীপুরের সিয়াম কম্পিউটারাইজড ইলাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (মামটেক্স)।
আরও পড়ুন ,টানা পতনের পর ঘুরে দাঁড়াল রপ্তানি আয়, এপ্রিলে ৩৩% প্রবৃদ্ধি
এদের মধ্যে কয়েকটি কারখানা ৮০-এর বেশি পয়েন্ট অর্জন করে প্লাটিনাম মান অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অত্যন্ত উচ্চমানের পরিবেশবান্ধব শিল্প নির্দেশ করে।বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, টেকসই শিল্পায়নের সূচকে বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক নেতৃত্বের দিকে এগোচ্ছে।তিনি বলেন, নতুন চারটি কারখানার সংযোজন এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করেছে। তবে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে উদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কেবল উৎপাদন নয়, পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থাপনায়ও বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন