দেশের ভোজ্য তেলের বাজারে আবারও সংকটের ছায়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ ঘাটতি ক্রমেই প্রকট হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগে যেখানে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো থাকত বোতলজাত তেল, এখন সেখানে হাতে গোনা কয়েকটি বোতল দেখা যাচ্ছে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডিলার পর্যায়ে অন্যান্য পণ্য গ্রহণের শর্তে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা বাজার ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায়। খোলা তেলের দামও ১৮০ টাকার ওপরে, তবে বাস্তবে আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
আরো পড়ুন , সিগারেটে নতুন কর নয়, তবে বাড়তে পারে দাম: এনবিআর
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সয়াবিন তেলের আমদানি কমে ২ লাখ ৬১ হাজার টনে নেমেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।অন্যদিকে পাম অয়েলের আমদানি প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও তা দিয়ে ঘাটতি পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।দেশের মোট ভোজ্য তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানিনির্ভর হওয়ায় এই ঘাটতি সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বিশ্ববাজারেও সয়াবিন তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। ফলে আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশে দাম সমন্বয় না হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে আছেন।দেশের বড় প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও টি কে গ্রুপ-এর প্রতিনিধিরাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে স্থানীয় বাজারের অসামঞ্জস্যই সংকটের মূল কারণ।বিশ্লেষকরা বলছেন, সামনে কোরবানির ঈদকে ঘিরে ভোজ্য তেলের চাহিদা আরও বাড়বে। এ অবস্থায় দ্রুত আমদানি ও মূল্য সমন্বয় না হলে বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।
বিষয় : সংকট দুশ্চিন্তা সয়াবিন তেল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ভোজ্য তেলের বাজারে আবারও সংকটের ছায়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ ঘাটতি ক্রমেই প্রকট হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগে যেখানে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো থাকত বোতলজাত তেল, এখন সেখানে হাতে গোনা কয়েকটি বোতল দেখা যাচ্ছে।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডিলার পর্যায়ে অন্যান্য পণ্য গ্রহণের শর্তে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যা বাজার ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলছে।সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায়। খোলা তেলের দামও ১৮০ টাকার ওপরে, তবে বাস্তবে আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
আরো পড়ুন , সিগারেটে নতুন কর নয়, তবে বাড়তে পারে দাম: এনবিআর
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সয়াবিন তেলের আমদানি কমে ২ লাখ ৬১ হাজার টনে নেমেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।অন্যদিকে পাম অয়েলের আমদানি প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও তা দিয়ে ঘাটতি পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।দেশের মোট ভোজ্য তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানিনির্ভর হওয়ায় এই ঘাটতি সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বিশ্ববাজারেও সয়াবিন তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। ফলে আমদানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশে দাম সমন্বয় না হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে আছেন।দেশের বড় প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও টি কে গ্রুপ-এর প্রতিনিধিরাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে স্থানীয় বাজারের অসামঞ্জস্যই সংকটের মূল কারণ।বিশ্লেষকরা বলছেন, সামনে কোরবানির ঈদকে ঘিরে ভোজ্য তেলের চাহিদা আরও বাড়বে। এ অবস্থায় দ্রুত আমদানি ও মূল্য সমন্বয় না হলে বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন