দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জোরদার এবং বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায়, সংগঠনের পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই দাবি তুলে ধরে।
আরও পড়ুন, ১.৩ কোটি লিটার পাম তেল কিনছে সরকার
বিজিএমইএ জানায়, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক পোশাক কারখানা আর্থিক সংকটে রয়েছে। এ অবস্থায় বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় নীতি সহায়তার সুবিধা পেতে খেলাপি হিসাবের সময়সীমা নভেম্বর ২০২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, এতে করে সংকটে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং ব্যাংকিং খাতে অ-পরিশোধিত ঋণ কমবে। এছাড়া বিজিএমইএ দাবি জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নীতি সহায়তা যাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে, সে জন্য কার্যকর ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। এতে উৎপাদন বাড়বে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলো পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন, আয়কর নীতিতে পরিবর্তন, করমুক্ত সীমা ৫ লাখ করার উদ্যোগ
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোকে চিহ্নিত করে পুনর্বাসনের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যাবে বলে মনে করছে সংগঠনটি। এ সময় বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন শহীদুল ইসলাম ও মাসুদ কবির। বিজিএমইএর উত্থাপিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিষয় : আর্থিক সংকট পোশাকশিল্প বিজিএমইএ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জোরদার এবং বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায়, সংগঠনের পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এই দাবি তুলে ধরে।
আরও পড়ুন, ১.৩ কোটি লিটার পাম তেল কিনছে সরকার
বিজিএমইএ জানায়, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক পোশাক কারখানা আর্থিক সংকটে রয়েছে। এ অবস্থায় বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় নীতি সহায়তার সুবিধা পেতে খেলাপি হিসাবের সময়সীমা নভেম্বর ২০২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, এতে করে সংকটে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং ব্যাংকিং খাতে অ-পরিশোধিত ঋণ কমবে। এছাড়া বিজিএমইএ দাবি জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নীতি সহায়তা যাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে, সে জন্য কার্যকর ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। এতে উৎপাদন বাড়বে এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলো পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন, আয়কর নীতিতে পরিবর্তন, করমুক্ত সীমা ৫ লাখ করার উদ্যোগ
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোকে চিহ্নিত করে পুনর্বাসনের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যাবে বলে মনে করছে সংগঠনটি। এ সময় বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন শহীদুল ইসলাম ও মাসুদ কবির। বিজিএমইএর উত্থাপিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন